২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দফতর অরবিন্দ ভবনের সামনে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন একাধিক বাম ছাত্র সংগঠন ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য সমর্থকরা। ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের। এমনকি তাদের মহিলা সদস্যদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও বাম ছাত্র সংগঠনগুলি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এখানে স্মারকলিপি জমা দিতে এসেছিলাম। কিন্তু বাম সংগঠন ও এসএফআই আমাদের বাধা দিয়েছে। এরাই মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে। আমাদের মেয়েদের হেনস্থা করা হয়েছে, শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে মদ-গাঁজা খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে ভয় পেয়েই কী আমাদের আটকানো হচ্ছে?’

 

তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেত্রী রাজন্যা হালদার বলেন, ‘এরা মুখে বড় বড় কথা বলে। কিন্তু এখানে স্মারকলিপি জমা দিতে এসে আমাদের শুধু শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থাই করা হয়নি, আমরা জামা ছিড়ে দেওয়া হয়েছে। এই শ্লীলতা নিয়ে যাদবপুরের বাম-অতিবামরা প্রগতিশীলতার কথা বলে। আমি জানি না কেন এটা আামাদের বাধা দেওয়া হল। আমার ভাইয়ের মৃত্যু হল, ওঁরা চায় না দোষীরা বিচার পাক।’ অন্যদিকে এআইডিএসও ও এসএফআই এর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে

আপডেট : ১৬ অগাস্ট ২০২৩, বুধবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ডেপুটেশন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দফতর অরবিন্দ ভবনের সামনে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন একাধিক বাম ছাত্র সংগঠন ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য সমর্থকরা। ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের। এমনকি তাদের মহিলা সদস্যদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও বাম ছাত্র সংগঠনগুলি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে এখানে স্মারকলিপি জমা দিতে এসেছিলাম। কিন্তু বাম সংগঠন ও এসএফআই আমাদের বাধা দিয়েছে। এরাই মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে। আমাদের মেয়েদের হেনস্থা করা হয়েছে, শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। মেয়েদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। ক্যাম্পাসে মদ-গাঁজা খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে ভয় পেয়েই কী আমাদের আটকানো হচ্ছে?’

 

তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেত্রী রাজন্যা হালদার বলেন, ‘এরা মুখে বড় বড় কথা বলে। কিন্তু এখানে স্মারকলিপি জমা দিতে এসে আমাদের শুধু শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থাই করা হয়নি, আমরা জামা ছিড়ে দেওয়া হয়েছে। এই শ্লীলতা নিয়ে যাদবপুরের বাম-অতিবামরা প্রগতিশীলতার কথা বলে। আমি জানি না কেন এটা আামাদের বাধা দেওয়া হল। আমার ভাইয়ের মৃত্যু হল, ওঁরা চায় না দোষীরা বিচার পাক।’ অন্যদিকে এআইডিএসও ও এসএফআই এর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে।