২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মেঝিয়ারী সতীশচন্দ্র স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে সম্প্রীতি সৌহার্দের বার্তা শিক্ষক দিবসে

রাহুল রায়,পূর্ব বর্ধমানঃ পলিটিক্সের পথ ধরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক যখন তিক্ততার স্তরে পৌঁছে যায়,শিক্ষক-শিক্ষীকাদের পেশা নিয়ে যখন শত শত প্রশ্নবাণ সমাজকে বিদ্ধ করে,ঠিক তখনই পূর্ব-বর্ধমানের কাটোয়া থানার করুই অঞ্চলের মেঝিয়ারী সতীশচন্দ্র স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে।
5ই সেপ্টেম্বরের এই স্মরণীয় দিনে মহান শিক্ষক তথা ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতির আদর্শকে পাথেয় করে আগামী দিনে পথ চলার অঙ্গীকার গ্রহন করা হয়।ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান;সংগীত পরিবেশন,শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলের ভাষন,ছাত্রছাত্রীদের ‘মক-পার্লামেন্ট’ সবকিছুর মধ্যেই যেন মননশীল,সৃজনশীল শিক্ষার গন্ধ ছিল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় সুকান্ত কর্মকার তাঁর মনছুঁয়ে যাওয়া ভাষনে বলেন “যা মানুষকে মানবতাবাদী করে তোলে তাই শিক্ষা সুতরাং আগামী দিনে ভারতবর্ষের সমস্ত শিক্ষালয়ে সেই শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।”
এদিন মেঝিয়ারী বাজার সংলগ্ন এলাকায় “মাতৃভাষা” নামক একটি জনপ্রিয় টিউটর সেন্টারে মাননীয় বংশীধর ঘোষের আয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার ডাক দেওয়া হয়।প্রায় একশো জন ছাত্রছাত্রী ঐ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নতুন সমাজ গড়ার শপথ নেয়।

এলিটের আলো ছাড়িয়ে গ্রাসরুটের স্বপ্নযাত্রা, কলকাতা ইয়ুথ ফুটবল লীগে উঠছে আগামী দিনের তারকারা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেঝিয়ারী সতীশচন্দ্র স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে সম্প্রীতি সৌহার্দের বার্তা শিক্ষক দিবসে

আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

রাহুল রায়,পূর্ব বর্ধমানঃ পলিটিক্সের পথ ধরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক যখন তিক্ততার স্তরে পৌঁছে যায়,শিক্ষক-শিক্ষীকাদের পেশা নিয়ে যখন শত শত প্রশ্নবাণ সমাজকে বিদ্ধ করে,ঠিক তখনই পূর্ব-বর্ধমানের কাটোয়া থানার করুই অঞ্চলের মেঝিয়ারী সতীশচন্দ্র স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করে।
5ই সেপ্টেম্বরের এই স্মরণীয় দিনে মহান শিক্ষক তথা ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতির আদর্শকে পাথেয় করে আগামী দিনে পথ চলার অঙ্গীকার গ্রহন করা হয়।ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান;সংগীত পরিবেশন,শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলের ভাষন,ছাত্রছাত্রীদের ‘মক-পার্লামেন্ট’ সবকিছুর মধ্যেই যেন মননশীল,সৃজনশীল শিক্ষার গন্ধ ছিল। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় সুকান্ত কর্মকার তাঁর মনছুঁয়ে যাওয়া ভাষনে বলেন “যা মানুষকে মানবতাবাদী করে তোলে তাই শিক্ষা সুতরাং আগামী দিনে ভারতবর্ষের সমস্ত শিক্ষালয়ে সেই শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।”
এদিন মেঝিয়ারী বাজার সংলগ্ন এলাকায় “মাতৃভাষা” নামক একটি জনপ্রিয় টিউটর সেন্টারে মাননীয় বংশীধর ঘোষের আয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনার ডাক দেওয়া হয়।প্রায় একশো জন ছাত্রছাত্রী ঐ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নতুন সমাজ গড়ার শপথ নেয়।