১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্কুলের পথে শিক্ষককে নিশানা করে গুলি! ইসলামপুরে আতঙ্ক, হামলার নেপথ্যে কে?

নিজস্ব সংবাদদাতা, ইসলামপুর: সকাল তখন ব্যস্ত। স্কুলে যাওয়ার পথেই আচমকা গুলির শব্দ। অভিযোগ, মাদারিপুর এলাকায় রাস্তায় এক শিক্ষককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন নজরুল ইসলাম নামে ওই শিক্ষক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইসলামপুরজুড়ে। নজরুল ইসলাম রামগঞ্জের রাজাভিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। মাদারিপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। হামলার পর ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা রক্তাক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা দ্রুত ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানেই শেষ নয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—কেন একজন স্কুলশিক্ষককে এভাবে নিশানা করা হল? হামলা কি পূর্বপরিকল্পিত? আততায়ীরা কি আগে থেকেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত বা অন্য কোনও বিরোধ? ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকেও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। শিক্ষককে লক্ষ্য করে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি চালানোর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী। এখন তদন্তে কত দ্রুত হামলার রহস্যের পর্দা ফাঁস হয় এবং অভিযুক্তরা পুলিশের জালে ধরা পড়ে, সেদিকেই নজর।

করুণাময়ী আশ্রম মাঠ ঘেরাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্কুলের পথে শিক্ষককে নিশানা করে গুলি! ইসলামপুরে আতঙ্ক, হামলার নেপথ্যে কে?

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, ইসলামপুর: সকাল তখন ব্যস্ত। স্কুলে যাওয়ার পথেই আচমকা গুলির শব্দ। অভিযোগ, মাদারিপুর এলাকায় রাস্তায় এক শিক্ষককে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন নজরুল ইসলাম নামে ওই শিক্ষক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইসলামপুরজুড়ে। নজরুল ইসলাম রামগঞ্জের রাজাভিম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। মাদারিপুর এলাকায় পৌঁছতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। হামলার পর ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা রক্তাক্ত শিক্ষককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা দ্রুত ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানেই শেষ নয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—কেন একজন স্কুলশিক্ষককে এভাবে নিশানা করা হল? হামলা কি পূর্বপরিকল্পিত? আততায়ীরা কি আগে থেকেই তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখছিল? নাকি ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত বা অন্য কোনও বিরোধ? ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকেও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। শিক্ষককে লক্ষ্য করে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি চালানোর ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আতঙ্কে এলাকাবাসী। এখন তদন্তে কত দ্রুত হামলার রহস্যের পর্দা ফাঁস হয় এবং অভিযুক্তরা পুলিশের জালে ধরা পড়ে, সেদিকেই নজর।