১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

উন্নয়নের আলো পৌঁছতে ছয় বছর! অবশেষে ছয় ঘরে বিদ্যুতের আলো

জলপাইগুড়ি: একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত ছিল ছয়টি পরিবার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সেই ঘরগুলিতে জ্বলল বিদ্যুতের আলো। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাড় মাগুরমারি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে খুশিতে মেতে ওঠেন ছয় পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের কাছে যেন অকাল দীপাবলি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে তাঁদের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের অনেকেই কার্যত আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন, জীবদ্দশায় ঘরে বিদ্যুতের আলো দেখতে পারবেন কি না।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। বিদ্যুৎ আসায় সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে পরিবারের পড়ুয়ারা। সন্ধ্যার পর কেরোসিনের আলো কিংবা অন্য বিকল্প ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হবে না তাঁদের। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ এলেও এখনও বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে। ছয়টি পরিবারের বাড়িতে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত রাস্তা নেই বলেই অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতি লিটন ঘোষ গত প্রায় ছয় বছর ধরে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তাঁর উদ্যোগে সেই দাবি পূরণ হয়েছে। তাঁদের আশা, বিদ্যুতের পর এবার যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যারও সমাধান হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এতদিন কেন ছয়টি পরিবার বিদ্যুতের মতো মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিল? উন্নয়নের দাবি সর্বত্র পৌঁছলেও প্রত্যন্ত এলাকার এই ছবিই যেন সেই দাবির বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।

করুণাময়ী আশ্রম মাঠ ঘেরাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা, পুলিশের লাঠিচার্জ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উন্নয়নের আলো পৌঁছতে ছয় বছর! অবশেষে ছয় ঘরে বিদ্যুতের আলো

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার
জলপাইগুড়ি: একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও বিদ্যুতের আলো থেকে বঞ্চিত ছিল ছয়টি পরিবার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে সেই ঘরগুলিতে জ্বলল বিদ্যুতের আলো। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি–১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাড় মাগুরমারি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে খুশিতে মেতে ওঠেন ছয় পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের কাছে যেন অকাল দীপাবলি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে তাঁদের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের অনেকেই কার্যত আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন, জীবদ্দশায় ঘরে বিদ্যুতের আলো দেখতে পারবেন কি না।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে। বিদ্যুৎ আসায় সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে পরিবারের পড়ুয়ারা। সন্ধ্যার পর কেরোসিনের আলো কিংবা অন্য বিকল্প ব্যবস্থার উপর নির্ভর করতে হবে না তাঁদের। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ এলেও এখনও বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে। ছয়টি পরিবারের বাড়িতে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত রাস্তা নেই বলেই অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতি লিটন ঘোষ গত প্রায় ছয় বছর ধরে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তাঁর উদ্যোগে সেই দাবি পূরণ হয়েছে। তাঁদের আশা, বিদ্যুতের পর এবার যোগাযোগ ব্যবস্থার সমস্যারও সমাধান হবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এতদিন কেন ছয়টি পরিবার বিদ্যুতের মতো মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিল? উন্নয়নের দাবি সর্বত্র পৌঁছলেও প্রত্যন্ত এলাকার এই ছবিই যেন সেই দাবির বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।