১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শেরে বাংলা ফজলুল হকের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী পালন

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার
  • 13

ফারুক আহমেদ : অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা ফজলুল হকের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভার সৌজন্যে কলকাতার কলেজ স্ট্রিট স্থিত মহাবোধি সোসাইটি হলে আগত জ্ঞাণীগুণীজন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকল। আলোচনার আয়োজক ভূমিপুত্র উন্নয়ন মোর্চা অফ ইন্ডিয়া (BHUMI)। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিকল্প ইতিহাস লেখায় পারদর্শী খাজিম আহমেদ, রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য আহমেদ হাসান ইমরান, বর্তমান সাংসদ জহর সরকার, ঐতিহাসিক মহীতোষ গায়েন, সমাজসেবী মুন্সি আবুল কাশেম। রাজ্য তথা উপমহাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইতিহাসে যখন একপেশে বয়ান তৈরিতে উস্তাদ সংখ্যাগুরু সমাজ একটা বিশেষ জাতিকে কোণঠাসা করতে ব্যস্ত, এই ধরনের উদ্যোগ নিশ্চিতভাবেই এই ভূখণ্ডের ইতিহাসকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সেই বিশেষ জাতির ও অবদানের স্বীকৃতি। বিশেষ করে শেরে বাংলার কথা ও তাঁর রাজনৈতিক জীবন বাঙালি তথা বাঙালিত্ব, তার সাথে আষ্টে পিষ্ঠে জড়িয়ে মুসলিমত্ব এবং এই দুয়ের মধ্যে মিলন ঘটানোর মাধ্যমে স্বজাতিয়তা তৈরিতে বিশেষভাবে অনস্বীকার্য। উক্ত সভায় প্রায় ১৫০ জনের মত বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্র থেকে আসা দর্শক উপস্থিত ছিলেন।বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আপনজন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক জাহিদুল হক, উদার আকাশ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, সামাজকর্মী সাদিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মেশারফ হোসেন, অধ্যাপক মির্জা মোসারফ হোসেন, প্রবন্ধিক একরামূল হক শেখ, লেখক দীপক সাহা, ভূমির কর্ণধার ড. রামিজ রাজা, মুরাদ শেখ, ওয়াহেদ মির্জা, রুহুল আমিন, মধুমিতা দাস, আবু সাইদ আহমেদ প্রমুখ। এদিন শেরে বাংলা সম্মাননা প্রদান করা হয় বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সংসদ জহর সরকার ও সমাজকর্মী মুন্সী আবুল কাশেমকে। মূল্যাবান বক্তব্য রাখেন খাজিম আহমেদ, জহর সরকার, আহমেদ হাসান ইমরান ও মহীতোষ গায়েন।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শেরে বাংলা ফজলুল হকের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী পালন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৩, বৃহস্পতিবার

ফারুক আহমেদ : অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরে বাংলা ফজলুল হকের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভার সৌজন্যে কলকাতার কলেজ স্ট্রিট স্থিত মহাবোধি সোসাইটি হলে আগত জ্ঞাণীগুণীজন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকল। আলোচনার আয়োজক ভূমিপুত্র উন্নয়ন মোর্চা অফ ইন্ডিয়া (BHUMI)। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিকল্প ইতিহাস লেখায় পারদর্শী খাজিম আহমেদ, রাজ্যসভার প্রাক্তন সদস্য আহমেদ হাসান ইমরান, বর্তমান সাংসদ জহর সরকার, ঐতিহাসিক মহীতোষ গায়েন, সমাজসেবী মুন্সি আবুল কাশেম। রাজ্য তথা উপমহাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ইতিহাসে যখন একপেশে বয়ান তৈরিতে উস্তাদ সংখ্যাগুরু সমাজ একটা বিশেষ জাতিকে কোণঠাসা করতে ব্যস্ত, এই ধরনের উদ্যোগ নিশ্চিতভাবেই এই ভূখণ্ডের ইতিহাসকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় সেই বিশেষ জাতির ও অবদানের স্বীকৃতি। বিশেষ করে শেরে বাংলার কথা ও তাঁর রাজনৈতিক জীবন বাঙালি তথা বাঙালিত্ব, তার সাথে আষ্টে পিষ্ঠে জড়িয়ে মুসলিমত্ব এবং এই দুয়ের মধ্যে মিলন ঘটানোর মাধ্যমে স্বজাতিয়তা তৈরিতে বিশেষভাবে অনস্বীকার্য। উক্ত সভায় প্রায় ১৫০ জনের মত বিভিন্ন সামাজিক ক্ষেত্র থেকে আসা দর্শক উপস্থিত ছিলেন।বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আপনজন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক জাহিদুল হক, উদার আকাশ সম্পাদক ফারুক আহমেদ, সামাজকর্মী সাদিকুল ইসলাম, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মেশারফ হোসেন, অধ্যাপক মির্জা মোসারফ হোসেন, প্রবন্ধিক একরামূল হক শেখ, লেখক দীপক সাহা, ভূমির কর্ণধার ড. রামিজ রাজা, মুরাদ শেখ, ওয়াহেদ মির্জা, রুহুল আমিন, মধুমিতা দাস, আবু সাইদ আহমেদ প্রমুখ। এদিন শেরে বাংলা সম্মাননা প্রদান করা হয় বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সংসদ জহর সরকার ও সমাজকর্মী মুন্সী আবুল কাশেমকে। মূল্যাবান বক্তব্য রাখেন খাজিম আহমেদ, জহর সরকার, আহমেদ হাসান ইমরান ও মহীতোষ গায়েন।