১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায়

সেখ রিয়াজ উদ্দিন, নতুন গতি, বীরভূম:  করোনা ভাইরাসের কারণে সমগ্র দেশের মানুষ লকডাউনে গৃহবন্দি, হয়েছে কর্মহীন, অসহায় অবস্থায় দুঃশ্চিন্তার মধ্যে দিনযাপন করছেন বিশেষ করে দিন আনা দিন খাওয়া ব্যক্তিরা। এমতাবস্থায় বিশিষ্ট সমাজসেবী পান্নালাল দাশগুপ্ত প্রতিষ্ঠিত টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর রাজনগর খয়রাশোল শাখার পক্ষ থেকে লোকপুর থানার বুধপুর, আমলাকুড়ি, বামুনিবহাল, খড়বোনা, আনন্দনগর গ্রামের অসহায় দুঃস্থ ব্যাক্তিদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। বিবরণে প্রকাশ নেটজ নামক জার্মান সংস্থা ও বি এম জেড নামক বাংলাদেশ সংস্থার আর্থিক সহায়তায় এবং টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর সহযোগিতায় বীরভূম জেলার রাজনগর ও খয়রাশোল ব্লকের অতিদরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করে আটশত পরিবারের আর্থিক উন্নয়ন ঘটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন করে।ইতিমধ্যে লকডাউনের প্রাক্কালে অতিদরিদ্র পরিবার গুলোর অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন, সেই সমস্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থার পক্ষ থেকে চাল ডাল তেল নুন সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দিয়ে সহায়তা করা হয়। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সতর্কতা তথা সরকারি নির্দেশ মোতাবেক স্যানিটাইজার, মাস্ক দেওয়া হয় এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পথ চলার ও আহ্বান জানানো হয়। কুড়ি কেজি চালের বস্তা মাথায় এবং অন্যান্য পন্যের ব্যাগ হাতে নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে আজকের ত্রাণ পেয়ে খুশি ব্যাক্ত করেন মঞ্জু বাউরি, কৃষ্ণা বাগ্দী, আরতি বাউরি প্রমুখ দলভুক্ত মহিলারা। উল্লেখ্য গ্রাম্য জমায়েত বা ভিড় এড়াতে গ্রাম ছেড়ে ফাঁকা মাঠে গন্ডি বেঁধে দাঁড় করিয়ে ত্রাণ বিতরণ করা হয় উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে, এ এক অভিনব কায়দায়। একান্ত সাক্ষাৎকারে উপরিউক্ত কথা গুলো শোনান টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট, রাজনগর খয়রাশোল শাখার প্রকল্প আধিকারিক চন্দ্র কান্ত দত্ত। উপস্থিত প্রকাশ সিং, গৌরাঙ্গ দাস, চন্ডী মন্ডল প্রমুখ সংস্থার কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরবর্তী স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা সদস্যদের বাড়ির পুরুষ সদস্য হিসেবে সাইকেল নিয়ে উপস্থিত বাবলু বাউরি, মিলন বাউরি, মাতাল বাউরি প্রমুখদের চোখে মুখে ও হাসির রেখা স্পষ্ট ফুটে ওঠে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায়

আপডেট : ১৬ মে ২০২০, শনিবার

সেখ রিয়াজ উদ্দিন, নতুন গতি, বীরভূম:  করোনা ভাইরাসের কারণে সমগ্র দেশের মানুষ লকডাউনে গৃহবন্দি, হয়েছে কর্মহীন, অসহায় অবস্থায় দুঃশ্চিন্তার মধ্যে দিনযাপন করছেন বিশেষ করে দিন আনা দিন খাওয়া ব্যক্তিরা। এমতাবস্থায় বিশিষ্ট সমাজসেবী পান্নালাল দাশগুপ্ত প্রতিষ্ঠিত টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর রাজনগর খয়রাশোল শাখার পক্ষ থেকে লোকপুর থানার বুধপুর, আমলাকুড়ি, বামুনিবহাল, খড়বোনা, আনন্দনগর গ্রামের অসহায় দুঃস্থ ব্যাক্তিদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। বিবরণে প্রকাশ নেটজ নামক জার্মান সংস্থা ও বি এম জেড নামক বাংলাদেশ সংস্থার আর্থিক সহায়তায় এবং টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট এর সহযোগিতায় বীরভূম জেলার রাজনগর ও খয়রাশোল ব্লকের অতিদরিদ্র পরিবার চিহ্নিত করে আটশত পরিবারের আর্থিক উন্নয়ন ঘটানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে স্বনির্ভর গোষ্ঠী গঠন করে।ইতিমধ্যে লকডাউনের প্রাক্কালে অতিদরিদ্র পরিবার গুলোর অবস্থা আরো শোচনীয় হয়ে উঠেছে দৈনন্দিন, সেই সমস্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থার পক্ষ থেকে চাল ডাল তেল নুন সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দিয়ে সহায়তা করা হয়। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সতর্কতা তথা সরকারি নির্দেশ মোতাবেক স্যানিটাইজার, মাস্ক দেওয়া হয় এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পথ চলার ও আহ্বান জানানো হয়। কুড়ি কেজি চালের বস্তা মাথায় এবং অন্যান্য পন্যের ব্যাগ হাতে নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে আজকের ত্রাণ পেয়ে খুশি ব্যাক্ত করেন মঞ্জু বাউরি, কৃষ্ণা বাগ্দী, আরতি বাউরি প্রমুখ দলভুক্ত মহিলারা। উল্লেখ্য গ্রাম্য জমায়েত বা ভিড় এড়াতে গ্রাম ছেড়ে ফাঁকা মাঠে গন্ডি বেঁধে দাঁড় করিয়ে ত্রাণ বিতরণ করা হয় উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে, এ এক অভিনব কায়দায়। একান্ত সাক্ষাৎকারে উপরিউক্ত কথা গুলো শোনান টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট, রাজনগর খয়রাশোল শাখার প্রকল্প আধিকারিক চন্দ্র কান্ত দত্ত। উপস্থিত প্রকাশ সিং, গৌরাঙ্গ দাস, চন্ডী মন্ডল প্রমুখ সংস্থার কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরবর্তী স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা সদস্যদের বাড়ির পুরুষ সদস্য হিসেবে সাইকেল নিয়ে উপস্থিত বাবলু বাউরি, মিলন বাউরি, মাতাল বাউরি প্রমুখদের চোখে মুখে ও হাসির রেখা স্পষ্ট ফুটে ওঠে।