২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

আরজি কর কান্ড: গভীর সংকটে ডাঃ অভীক দে

আনজুম মুনীর, কলকাতা: আরজি কর কাণ্ডের পরেই ধীরে ধীরে সামনে আসে যে সারা রাজ্যজুড়ে ডাক্তারি ব্যবস্থায় শাসকদলের অধীনে কিভাবে থ্রেট কালচার চালু আছে। আর তার প্রবক্তা এই অভিক দে। বেআইনিভাবে সার্ভিস কোটায় এসএসকেএমে পিজিটি করার অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল।

এই নির্দেশকে স্বাগত জানালেন বিজেপির চিকিৎসক বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, তিলোত্তমার বিচার প্রক্রিয়ায় যাঁরা বাধার সৃষ্টি করেছিলেন, সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। আবার তিলোত্তমাকাণ্ডের পর আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতোর বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারে যুক্ত সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। অভীক দে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন রেডিওলজিস্ট। তিনি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারের মাথা বলে অভিযোগ উঠেছিল।

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করে তিলোত্তমার দেহ উদ্ধারের পর সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভীক দে। কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে সেই সময়ে প্রশ্ন উঠেছিল। পরে পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে, তিনি সেখানে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের ‘ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অভীক দে-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “তিলোত্তমাকাণ্ডে যাঁরা বিচারের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যাঁরা হঠাৎ করে ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ হিসেবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রমাণ লোপাট করতে, যাঁরা স্বাস্থ্য দফতরের ঘুঘুর বাসা বেঁধেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, তা নেওয়া শুরু হয়েছে। এটা অবশ্য আগেই হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পদক্ষেপ করেননি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য দফতরে দুর্নীতি করে গিয়েছেন, তাঁদের যেখানে স্থান হওয়া উচিত, সেখানেই স্থান হবে। প্রভাবশালী বলে কেউ ছাড় পাবেন, এই অনিয়মগুলো আর চলবে না।”

“প্রয়োজনে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেও দাঁড়াতে পারেন”: বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আরজি কর কান্ড: গভীর সংকটে ডাঃ অভীক দে

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনীর, কলকাতা: আরজি কর কাণ্ডের পরেই ধীরে ধীরে সামনে আসে যে সারা রাজ্যজুড়ে ডাক্তারি ব্যবস্থায় শাসকদলের অধীনে কিভাবে থ্রেট কালচার চালু আছে। আর তার প্রবক্তা এই অভিক দে। বেআইনিভাবে সার্ভিস কোটায় এসএসকেএমে পিজিটি করার অভিযোগে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল।

এই নির্দেশকে স্বাগত জানালেন বিজেপির চিকিৎসক বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, তিলোত্তমার বিচার প্রক্রিয়ায় যাঁরা বাধার সৃষ্টি করেছিলেন, সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে। আবার তিলোত্তমাকাণ্ডের পর আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতোর বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারে যুক্ত সবার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। অভীক দে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন রেডিওলজিস্ট। তিনি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে থ্রেট কালচারের মাথা বলে অভিযোগ উঠেছিল।

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করে তিলোত্তমার দেহ উদ্ধারের পর সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভীক দে। কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে সেই সময়ে প্রশ্ন উঠেছিল। পরে পুলিশের তরফে দাবি করা হয় যে, তিনি সেখানে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের ‘ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অভীক দে-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “তিলোত্তমাকাণ্ডে যাঁরা বিচারের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যাঁরা হঠাৎ করে ফিঙ্গার প্রিন্ট বিশেষজ্ঞ হিসেবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রমাণ লোপাট করতে, যাঁরা স্বাস্থ্য দফতরের ঘুঘুর বাসা বেঁধেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার ছিল, তা নেওয়া শুরু হয়েছে। এটা অবশ্য আগেই হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে পদক্ষেপ করেননি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য দফতরে দুর্নীতি করে গিয়েছেন, তাঁদের যেখানে স্থান হওয়া উচিত, সেখানেই স্থান হবে। প্রভাবশালী বলে কেউ ছাড় পাবেন, এই অনিয়মগুলো আর চলবে না।”