১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

জলে ডুবে মৃত্যু মহিলার, আত্মহত্যা না খুন তদন্তে পুলিশ, শোকের ছায়া এলাকা জুড়ে

১৫ জুলাই: ফুলহর নদীর জলে ডুবে মৃত্যু হল এক মাঝ বয়স্ক মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার ভালুকা বাজার অঞ্চলে। মৃতার নাম রেখা পাসমণ,বয়স (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বাড়ির সংলগ্ন ফুলহর নদীর তীরে ওই মহিলার মৃতদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী, ওই মহিলার দুই ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। আদৌ ওই মহিলার আত্মহত্যা করেছেন না খুন করে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে সমস্ত টা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে গৃহবধূর অকাল মৃত্যুতে ভালুকা বাজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।তার পরই পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আত্মহত্যা খুন না দুর্ঘটনা সমস্তটাই খতিয়ে দেখছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে ওই মহিলার দেওর পান্ডব পাসমান জানান আজ সকালে আমার বৌদি আমাদেরকে খাবার দিয়ে বাইরে ঘুরতে যায়। আমরা জানি ও পাশেই আমাদের আম বাগানে ঘোরাঘুরি করছে। তার বেশিক্ষণ কেটে গেল বৌদি বাড়ি না আসায় আমরা আশে পাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। এলাকারই কয়জন জানায় তাকে নদীর পাড়ে দেখা গেছে। আমরা নদীর পাড়ে ছুটে গেলে নদীতে বৌদির মৃতদেহ দেখতে পাই। বৌদির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নিয়ে গেছে। আমরা বুঝতে পারছি না আসলে কি হয়েছে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলে ডুবে মৃত্যু মহিলার, আত্মহত্যা না খুন তদন্তে পুলিশ, শোকের ছায়া এলাকা জুড়ে

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, শুক্রবার

১৫ জুলাই: ফুলহর নদীর জলে ডুবে মৃত্যু হল এক মাঝ বয়স্ক মহিলার। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার ভালুকা বাজার অঞ্চলে। মৃতার নাম রেখা পাসমণ,বয়স (৫০)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় বাড়ির সংলগ্ন ফুলহর নদীর তীরে ওই মহিলার মৃতদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী, ওই মহিলার দুই ছেলে এক মেয়ে রয়েছে। আদৌ ওই মহিলার আত্মহত্যা করেছেন না খুন করে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে সমস্ত টা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে গৃহবধূর অকাল মৃত্যুতে ভালুকা বাজার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।তার পরই পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আত্মহত্যা খুন না দুর্ঘটনা সমস্তটাই খতিয়ে দেখছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে ওই মহিলার দেওর পান্ডব পাসমান জানান আজ সকালে আমার বৌদি আমাদেরকে খাবার দিয়ে বাইরে ঘুরতে যায়। আমরা জানি ও পাশেই আমাদের আম বাগানে ঘোরাঘুরি করছে। তার বেশিক্ষণ কেটে গেল বৌদি বাড়ি না আসায় আমরা আশে পাশে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। এলাকারই কয়জন জানায় তাকে নদীর পাড়ে দেখা গেছে। আমরা নদীর পাড়ে ছুটে গেলে নদীতে বৌদির মৃতদেহ দেখতে পাই। বৌদির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ নিয়ে গেছে। আমরা বুঝতে পারছি না আসলে কি হয়েছে।