দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রবিবার বিকেল ৪টের সময় সমস্ত বিধায়কদের নিয়ে মিটিং ডেকেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু হায়! যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে তার বিধায়কেরা একসময় কাঁপতেন, তারাই ৮০ জনের মধ্যে মাত্র ২০ জন রবিবার মিটিংয়ে উপস্থিত হলেন। তাঁদের বেশিরভাগই প্রবীণ বিধায়ক। বাকিরা আসেননি কেন? এই নিয়ে জল্পনা বাড়তে লাগল। তাহলে কি তৃণমূলে ভাঙন ধরল?
সেই জল্পনার মধ্যেই মমতার কালীঘাটের বাড়ির বাইরে এসে দলের ‘ঐক্য’ তুলে ধরার চেষ্টা করলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সাংবাদিকদের জানালেন, বেশিরভাগ বিধায়ক নিজের এলাকায় কর্মসূচিতে ব্যস্ত। তাই, এদিনের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনে সই জালের অভিযোগ ঘিরে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। এই আবহে বিধায়কদের নিয়ে এদিন মমতার বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এদিন বিকেল ৪টে থেকে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
দেখা গেল, একেক করে আসেন কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোককুমার দেব এবং বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কিন্তু, সেই সংখ্যাটা ২০তে আটকে যায়। তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০। সেখানে মাত্র ২০ জন কেন বৈঠকে এসেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। দলের সুপ্রিমো বৈঠক ডাকার পরও মাত্র কেন ২০ জন বিধায়ক উপস্থিত হলেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।
তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কুণাল ঘোষ বললেন, “শনিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। রবিবার আবার সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারই প্রতিবাদে তৃণমূলের বিধায়করা নিজের এলাকায় কর্মসূচি পালন করছেন। পুলিশ অনেককে আটক করেছে। সেই সব কর্মীদের ছাড়াতে ব্যস্ত বিধায়করা। তাই, দলের কাছে তাঁরা ফোনে অনুরোধ করেন, এদিনের বৈঠক স্থগিত করার জন্য। এদিনও ফোন এসেছে। তাই, এদিনের বৈঠক স্থগিত করা হল। আর যাঁরা এসেছেন, সবাই মিলে ঘরোয়া বৈঠক করলাম।”
নতুন গতি 


























