৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কালনা রোড যাওয়ার পথে, রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে আবর্জনার স্তূপ

নিজস্ব প্রতিবেদক:- বর্ধমান শহরের সাত নং ওয়ার্ড বাদামতলা মোড়ের কাছেই, কালনা রোড যাওয়ার পথে, রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে আবর্জনার স্তূপ। এই জায়গা পৌরসভা স্বীকৃত আবর্জনা ফেলার জায়গা নয়, কিন্তু কিছু মানুষ ও কিছু ব্যবসায়ীরা এই স্থানে নোংরা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে বলে জানান স্থানীয়দের একাংশ। আশেপাশেই রয়েছে বিভিন্ন রকমের হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও নানা রকমের দোকান। এই নোংরা আবর্জনা ফেলার ফলে এলাকায় অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং এখান থেকে বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এই জায়গাটি পৌরসভা শেষবার পরিষ্কার করেছিল আনুমানিক এক-দেড় মাস আগে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা গেল, প্রায় তিন থেকে চার মাস ধরে পরিষ্কার হয়নি জায়গাটি। এই জায়গাটি পরিষ্কার না করার ফলে এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে এই জায়গাটি পরিষ্কার করার জন্য পৌরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা ও ব্যবসায়ীরা।এই নিয়ে বর্ধমান পৌরসভার আয়োজিত বর্ধমানের পৌরকথায় অভিযোগ জানান ওই সাত নং ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা। সরাসরি পৌরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। চেয়ারম্যান ওই বাসিন্দাকে কথা দেন দ্রুত আবর্জনার সমস্যা সমাধান করা হবে।এই বিষয় পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, “শুধু ৭ নং ওয়ার্ড নয়, পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের যেখানে যেখানে আবর্জনা দীর্ঘদিন ধরে পরে রয়েছে, সেই সব পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই আধুনিক পদ্ধতিতে নোংড়া আবর্জনা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

ঈদের দিন যাদবপুরে ‘সাভারকর জয়ন্তী’ পালন করতে চলেছে এবিভিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কালনা রোড যাওয়ার পথে, রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে আবর্জনার স্তূপ

আপডেট : ২২ মে ২০২২, রবিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- বর্ধমান শহরের সাত নং ওয়ার্ড বাদামতলা মোড়ের কাছেই, কালনা রোড যাওয়ার পথে, রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে আবর্জনার স্তূপ। এই জায়গা পৌরসভা স্বীকৃত আবর্জনা ফেলার জায়গা নয়, কিন্তু কিছু মানুষ ও কিছু ব্যবসায়ীরা এই স্থানে নোংরা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণ করছে বলে জানান স্থানীয়দের একাংশ। আশেপাশেই রয়েছে বিভিন্ন রকমের হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও নানা রকমের দোকান। এই নোংরা আবর্জনা ফেলার ফলে এলাকায় অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং এখান থেকে বিভিন্ন রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এই জায়গাটি পৌরসভা শেষবার পরিষ্কার করেছিল আনুমানিক এক-দেড় মাস আগে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখা গেল, প্রায় তিন থেকে চার মাস ধরে পরিষ্কার হয়নি জায়গাটি। এই জায়গাটি পরিষ্কার না করার ফলে এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে এই জায়গাটি পরিষ্কার করার জন্য পৌরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা ও ব্যবসায়ীরা।এই নিয়ে বর্ধমান পৌরসভার আয়োজিত বর্ধমানের পৌরকথায় অভিযোগ জানান ওই সাত নং ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা। সরাসরি পৌরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। চেয়ারম্যান ওই বাসিন্দাকে কথা দেন দ্রুত আবর্জনার সমস্যা সমাধান করা হবে।এই বিষয় পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, “শুধু ৭ নং ওয়ার্ড নয়, পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের যেখানে যেখানে আবর্জনা দীর্ঘদিন ধরে পরে রয়েছে, সেই সব পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই আধুনিক পদ্ধতিতে নোংড়া আবর্জনা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”