২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইস্কন মন্দিরে ‘গোসেবা’ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

আনজুম মুনির: নির্দিষ্ট সময় ইস্কন মন্দিরে পৌঁছেযান মুখ্যমন্ত্রী। তাকে চন্দনের টিপ ও মালা পরিয়ে স্বাগত জানান মন্দিরের সাধুরা। তারপর সেখানে ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজো করেন তিনি। যজ্ঞের পর তাঁকে সাষ্টাঙ্গে বিগ্রহকে প্রণাম করতেই দেখা গিয়েছে। এরপরই গো-সেবা করেন তিনি। ইসকনের মন্দিরে বিশেষ যজ্ঞানুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপর ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজোয় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসকনের সন্ন্যাসীদের উপস্থিতিতে তিনি গো-সেবা করেন। জল দিয়ে গোমাতার পা ধুয়ে দেন তিনি। গোমাতাকে খাবারও খাওয়ান।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে শুভেন্দু অধিকারী। এই সফরকে ঘিরে গতকাল থেকে মায়াপুরে ছিল সাজ সাজ রব। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখা হয়েছে গোটা ইসকন চত্বর। আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারের করে আকাশপথে মায়াপুরে পৌঁছান।

তারপর সেখানে ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজো করেন তিনি। যজ্ঞের পর তাঁকে সাষ্টাঙ্গে বিগ্রহকে প্রণাম করতেই দেখা গিয়েছে। এরপরই গো-সেবা করেন তিনি। নানা ফল তিনি তুলে দেন গরুদের মুখে। প্রচুর তরমুজ, আম, কলা ও অন্যান্য ফলের আয়োজন করা হয়েছিল।

ঈদের দিন যাদবপুরে ‘সাভারকর জয়ন্তী’ পালন করতে চলেছে এবিভিপি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইস্কন মন্দিরে ‘গোসেবা’ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ মে ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির: নির্দিষ্ট সময় ইস্কন মন্দিরে পৌঁছেযান মুখ্যমন্ত্রী। তাকে চন্দনের টিপ ও মালা পরিয়ে স্বাগত জানান মন্দিরের সাধুরা। তারপর সেখানে ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজো করেন তিনি। যজ্ঞের পর তাঁকে সাষ্টাঙ্গে বিগ্রহকে প্রণাম করতেই দেখা গিয়েছে। এরপরই গো-সেবা করেন তিনি। ইসকনের মন্দিরে বিশেষ যজ্ঞানুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপর ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজোয় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসকনের সন্ন্যাসীদের উপস্থিতিতে তিনি গো-সেবা করেন। জল দিয়ে গোমাতার পা ধুয়ে দেন তিনি। গোমাতাকে খাবারও খাওয়ান।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে শুভেন্দু অধিকারী। এই সফরকে ঘিরে গতকাল থেকে মায়াপুরে ছিল সাজ সাজ রব। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে রাখা হয়েছে গোটা ইসকন চত্বর। আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারের করে আকাশপথে মায়াপুরে পৌঁছান।

তারপর সেখানে ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজো করেন তিনি। যজ্ঞের পর তাঁকে সাষ্টাঙ্গে বিগ্রহকে প্রণাম করতেই দেখা গিয়েছে। এরপরই গো-সেবা করেন তিনি। নানা ফল তিনি তুলে দেন গরুদের মুখে। প্রচুর তরমুজ, আম, কলা ও অন্যান্য ফলের আয়োজন করা হয়েছিল।