২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শিবানীপুরে সংস্কৃত ভাষা চর্চা শিক্ষা ও প্রসারকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার: রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫-তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ফলতা থানার শিবানীপুরে “মুক্তকণ্ঠ” সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিন ব্যাপী সংস্কৃত ভাষা চর্চা, শিক্ষা ও প্রসার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো। আজ ৮ই অক্টোবর এই তিনদিনের কর্মসূচি র শেষ দিন। ঠাকুর-মা-স্বামীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের পর দীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে বেলুড় বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রধান শ্রীমৎ স্বামী জপসিদ্ধানন্দজী মহারাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। ভারতীয় সভ্যতা সংস্কৃতি জানতে ও বুঝতে, এমন কি কম্পিউটার বিজ্ঞান সহ আধুনিক যেকোন বিষয়ের ক্ষেত্রেও এই ভাষার গ্ৰহণযোগ্যতা আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি এদিন এই সংস্থার সম্পাদক ও বিশিষ্ট আইনজীবী তপনকান্তি মণ্ডল প্রারম্ভিক ভাষণে এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও সংক্ষিপ্ত রূপরেখা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভাবান্দোলনের দীর্ঘ দিনের কর্মী মৃণাল বিশ্বাস প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেন। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃত ভাষার শিক্ষক অমরেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক মাধাই বৈদ্য, সঙ্গীত শিল্পী ও শিক্ষক রঞ্জন মণ্ডল প্রমুখ। একশোর বেশি ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক এই কর্মশালায় অংশ গ্ৰহণ করেন। এছাড়াও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন আচার্য উত্তম ঘোষ, সৈকত মহান্ত, ও বুদ্ধদেব দাস প্রমুখ।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শিবানীপুরে সংস্কৃত ভাষা চর্চা শিক্ষা ও প্রসারকল্পে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়

আপডেট : ৮ অক্টোবর ২০২৩, রবিবার

বাইজিদ মণ্ডল ডায়মন্ড হারবার: রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ১২৫-তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ফলতা থানার শিবানীপুরে “মুক্তকণ্ঠ” সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ৬ থেকে ৮ অক্টোবর তিন দিন ব্যাপী সংস্কৃত ভাষা চর্চা, শিক্ষা ও প্রসার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো। আজ ৮ই অক্টোবর এই তিনদিনের কর্মসূচি র শেষ দিন। ঠাকুর-মা-স্বামীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের পর দীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে বেলুড় বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রধান শ্রীমৎ স্বামী জপসিদ্ধানন্দজী মহারাজ আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। ভারতীয় সভ্যতা সংস্কৃতি জানতে ও বুঝতে, এমন কি কম্পিউটার বিজ্ঞান সহ আধুনিক যেকোন বিষয়ের ক্ষেত্রেও এই ভাষার গ্ৰহণযোগ্যতা আছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি এদিন এই সংস্থার সম্পাদক ও বিশিষ্ট আইনজীবী তপনকান্তি মণ্ডল প্রারম্ভিক ভাষণে এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও সংক্ষিপ্ত রূপরেখা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভাবান্দোলনের দীর্ঘ দিনের কর্মী মৃণাল বিশ্বাস প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেন। এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃত ভাষার শিক্ষক অমরেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক মাধাই বৈদ্য, সঙ্গীত শিল্পী ও শিক্ষক রঞ্জন মণ্ডল প্রমুখ। একশোর বেশি ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক এই কর্মশালায় অংশ গ্ৰহণ করেন। এছাড়াও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন আচার্য উত্তম ঘোষ, সৈকত মহান্ত, ও বুদ্ধদেব দাস প্রমুখ।