১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

নির্বাচন না করেই সংসদ অফিস খোলা হল মেমারি কলেজে

নূর আহমেদ,মেমরি : ২১ অগাষ্ট,সোমবার,তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর, মেমারি কলেজের সংসদ ভবনের দরজা খুলে দেওয়া হল । উপস্থিত বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য, তৃণমূলের শহর-সভাপতি স্বপন ঘোষাল, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত, ও কলেজের প্রিন্সিপাল দেবাশীষ চক্রবর্তী। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য বলেন দীর্ঘ ৫ বছর ছাত্র সংসদ বন্ধ ছিল কলেজ প্রশাসন ও নেতৃত্বের সাথে আলোচনা করে খোলা হয় ঘরটি। অন্যদিকে তৃণমূলের শহর-সভাপতি স্বপন ঘোষাল সরাসরি বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইকে দায়ী করে বলেন এসএফআই বহিরাগত দুষ্কৃতিদের নিয়ে এসে কলেজে বচসা করে ফলে কলেজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ছাত্রসংসদের ঘরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে সিপিআইএম জেলা নেতা সনৎ ব্যনার্জী বলেন, তৃণমূলের দাপটে ২০১১ সালের পর থেকে মেমারী কলেজে এসএফআইয়ের কোন ভূমিকা নেই। এসে SFI কে মেমারি কলেজে ,পোস্টার দেওয়া যেমন হয় না তেমন সংসদে ঢুকতেও দেওয়া হয় না, পাশাপাশি ওই ছাত্র সংসদ খোলার কোনরকম রাইট নেই তৃণমূলের, কারণ ছাত্র সংসদের কোন রকম নির্বাচনী হয়নি। এটা তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। এদিকে ২০১৮ সাল থেকে মুথ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন কলেজে কোন নির্বাচন হবে না। যা অগণতান্ত্রিক। ছাত্রদের কন্ঠস্বর রোধ করা হচ্ছে। এব্যপারে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল দেবাশী চক্রবর্তী ফোনে কোন কথা বলতে চান নি। তিনি এ ব্যপারে কিছুই জানেন না।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নির্বাচন না করেই সংসদ অফিস খোলা হল মেমারি কলেজে

আপডেট : ২১ অগাস্ট ২০২৩, সোমবার

নূর আহমেদ,মেমরি : ২১ অগাষ্ট,সোমবার,তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর, মেমারি কলেজের সংসদ ভবনের দরজা খুলে দেওয়া হল । উপস্থিত বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য, তৃণমূলের শহর-সভাপতি স্বপন ঘোষাল, ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্রিয় সামন্ত, ও কলেজের প্রিন্সিপাল দেবাশীষ চক্রবর্তী। বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য বলেন দীর্ঘ ৫ বছর ছাত্র সংসদ বন্ধ ছিল কলেজ প্রশাসন ও নেতৃত্বের সাথে আলোচনা করে খোলা হয় ঘরটি। অন্যদিকে তৃণমূলের শহর-সভাপতি স্বপন ঘোষাল সরাসরি বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআইকে দায়ী করে বলেন এসএফআই বহিরাগত দুষ্কৃতিদের নিয়ে এসে কলেজে বচসা করে ফলে কলেজে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ছাত্রসংসদের ঘরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। এদিকে সিপিআইএম জেলা নেতা সনৎ ব্যনার্জী বলেন, তৃণমূলের দাপটে ২০১১ সালের পর থেকে মেমারী কলেজে এসএফআইয়ের কোন ভূমিকা নেই। এসে SFI কে মেমারি কলেজে ,পোস্টার দেওয়া যেমন হয় না তেমন সংসদে ঢুকতেও দেওয়া হয় না, পাশাপাশি ওই ছাত্র সংসদ খোলার কোনরকম রাইট নেই তৃণমূলের, কারণ ছাত্র সংসদের কোন রকম নির্বাচনী হয়নি। এটা তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। এদিকে ২০১৮ সাল থেকে মুথ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন কলেজে কোন নির্বাচন হবে না। যা অগণতান্ত্রিক। ছাত্রদের কন্ঠস্বর রোধ করা হচ্ছে। এব্যপারে কলেজের প্রিন্সিপ্যাল দেবাশী চক্রবর্তী ফোনে কোন কথা বলতে চান নি। তিনি এ ব্যপারে কিছুই জানেন না।