১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর গুলিতে খুন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস

নিজস্ব সংবাদদাতা,কৃষ্ণগঞ্জ: অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিসবাহিনী। কে বা কারা গুলি চালাল তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ফুলবাড়ি এলাকায় সরস্বতী পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস। উদ্বোধনের পর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দর্শকাশনের প্রথম সারিতে বসে অনুষ্ঠান দেখছিলেন সত্যজিত বিশ্বাস-সহ জেলা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। তখনই হঠাত্ চেয়ার থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। ঝরতে থাকে রক্ত। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিড়ে মিশে যায় আততায়ীরা।

 

রক্তাক্ত সত্যজিত বিশ্বাসকে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনার কিছুক্ষণের পরই ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটার দূরে উদ্ধার হয় একটি ওয়ান শটার বন্দুক। অনুমান ওই বন্দুকটি থেকেই গুলি চালানো হয়েছে।  ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নদিয়ার জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘কে বা কারা গুলি চালিয়েছে এখনো বোঝা যাচ্ছে না। তবে বিজেপির মদতেই এই কাজ হয়ে থাকতে পারে। বিজেপির মুকুল রায় গোষ্ঠীর নিশানায় ছিল সত্যজিত।দিন কয়েক আগেই নদিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে ধান ক্রয়ে ফড়েরাজের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন তিনি।

সাড়ে তিন মাস পরে ইরানের সঙ্গে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করলো ট্রাম্প

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর গুলিতে খুন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, রবিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা,কৃষ্ণগঞ্জ: অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিসবাহিনী। কে বা কারা গুলি চালাল তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ফুলবাড়ি এলাকায় সরস্বতী পুজোর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন বিধায়ক সত্যজিত বিশ্বাস। উদ্বোধনের পর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দর্শকাশনের প্রথম সারিতে বসে অনুষ্ঠান দেখছিলেন সত্যজিত বিশ্বাস-সহ জেলা তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা। তখনই হঠাত্ চেয়ার থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। ঝরতে থাকে রক্ত। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভিড়ে মিশে যায় আততায়ীরা।

 

রক্তাক্ত সত্যজিত বিশ্বাসকে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ঘটনার কিছুক্ষণের পরই ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটার দূরে উদ্ধার হয় একটি ওয়ান শটার বন্দুক। অনুমান ওই বন্দুকটি থেকেই গুলি চালানো হয়েছে।  ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নদিয়ার জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘কে বা কারা গুলি চালিয়েছে এখনো বোঝা যাচ্ছে না। তবে বিজেপির মদতেই এই কাজ হয়ে থাকতে পারে। বিজেপির মুকুল রায় গোষ্ঠীর নিশানায় ছিল সত্যজিত।দিন কয়েক আগেই নদিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে ধান ক্রয়ে ফড়েরাজের বিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন তিনি।