৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শুভেন্দুর নির্দেশে ৫০ বছর পরে আলোর মুখ দেখলেন মন্ডল পরিবার

আনজুম মুনির, উত্তর ২৪ পরগনা: একেবারে দেবদুতের কাজ করলেন সৌরভ সিকদার ও শুভেন্দু অধিকারী। এমন নজির ভারতে নেই বললেই চলে। বিমানবন্দরের ঝলমলে আলো চোখে পড়ে এখান থেকেও। অথচ সেই আলোর শহরেরই এক কোণে, উত্তর দমদমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের গ্লোব নার্সারি এলাকায়, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কেটেছে আরতি মণ্ডলের পরিবারের। সন্ধ্যা নামলেই কেরোসিনের ল্যাম্প, গরমে হাতপাখা আর অন্ধকারের সঙ্গে লড়াই ছিল নিত্যসঙ্গী। সেই অন্ধকারেই একে একে চলে গিয়েছেন শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামী। নাতনি বড় হয়েছে ল্যাম্পের আলোয় পড়াশোনা করে। বহুবার আবেদন করেও মেলেনি বিদ্যুতের সংযোগ। শেষ বয়সে এসে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন সত্তরোর্ধ্ব আরতি দেবী।

কিন্তু পরিবারের দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে উদ্যোগ নেন বিধায়ক সৌরভ সিকদার। আর যে কাজ পাঁচ দশকেও হয়নি, তা সম্পন্ন হয় মাত্র সাতদিনে। নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রথম পরিবারের সমস্যার কথা জানতে পারেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার। সেই সময়ে তিনি সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর বিষয়টি সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে দাবি বিধায়কের। এরপর আবেদন জমা পড়ে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই বাড়িতে পৌঁছে যায় বিদ্যুৎ।

এ যেন স্বপ্নের মতো! আরতি মণ্ডলের কথায়, “আমি কত বছর ধরে ঘুরেছি, কতজনের কাছে গিয়েছি, এখন আর সব মনে নেই। সারাজীবন লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালিয়েছি। আমার স্বামী আলো-পাখার সুবিধা না পেয়েই মারা গিয়েছে। ভাবিনি কোনওদিন ঘরে কারেন্ট আসবে। আজ খুব খুশি।”

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শুভেন্দুর নির্দেশে ৫০ বছর পরে আলোর মুখ দেখলেন মন্ডল পরিবার

আপডেট : ৩১ মে ২০২৬, রবিবার

আনজুম মুনির, উত্তর ২৪ পরগনা: একেবারে দেবদুতের কাজ করলেন সৌরভ সিকদার ও শুভেন্দু অধিকারী। এমন নজির ভারতে নেই বললেই চলে। বিমানবন্দরের ঝলমলে আলো চোখে পড়ে এখান থেকেও। অথচ সেই আলোর শহরেরই এক কোণে, উত্তর দমদমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের গ্লোব নার্সারি এলাকায়, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কেটেছে আরতি মণ্ডলের পরিবারের। সন্ধ্যা নামলেই কেরোসিনের ল্যাম্প, গরমে হাতপাখা আর অন্ধকারের সঙ্গে লড়াই ছিল নিত্যসঙ্গী। সেই অন্ধকারেই একে একে চলে গিয়েছেন শ্বশুর, শাশুড়ি ও স্বামী। নাতনি বড় হয়েছে ল্যাম্পের আলোয় পড়াশোনা করে। বহুবার আবেদন করেও মেলেনি বিদ্যুতের সংযোগ। শেষ বয়সে এসে আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন সত্তরোর্ধ্ব আরতি দেবী।

কিন্তু পরিবারের দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে উদ্যোগ নেন বিধায়ক সৌরভ সিকদার। আর যে কাজ পাঁচ দশকেও হয়নি, তা সম্পন্ন হয় মাত্র সাতদিনে। নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রথম পরিবারের সমস্যার কথা জানতে পারেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার। সেই সময়ে তিনি সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। নির্বাচনের পর বিষয়টি সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বলে দাবি বিধায়কের। এরপর আবেদন জমা পড়ে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই বাড়িতে পৌঁছে যায় বিদ্যুৎ।

এ যেন স্বপ্নের মতো! আরতি মণ্ডলের কথায়, “আমি কত বছর ধরে ঘুরেছি, কতজনের কাছে গিয়েছি, এখন আর সব মনে নেই। সারাজীবন লোকের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালিয়েছি। আমার স্বামী আলো-পাখার সুবিধা না পেয়েই মারা গিয়েছে। ভাবিনি কোনওদিন ঘরে কারেন্ট আসবে। আজ খুব খুশি।”