১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

দলে অন্দরের বিষয় জনসম্মুখে আসায় ক্ষোভ উগরে দিলেন মহুয়া গোপ

জলপাইগুড়ি: “দলের অন্দরে যে ক্ষোভ সামলে নেওয়া যেত সেই বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবহার করা নিয়ে দল সম্পূর্ণ অন্ধকারে। দলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি হিসেবে কিছুই জানা নেই আমার।” জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের পুর নির্বাচনী সভায় এই কথা বলেছেন মহুয়া গোপ। মহুয়া বলেন, “জলপাইগুড়ির মুখ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে প্রচার করছে।” উল্লেখ্য, দলের প্রথম প্রার্থী তালিকায় নাম থাকলেও দ্বিতীয় তালিকায় নাম না থাকায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করতে গিয়ে ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতা মলয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে শেখরকে বাধা দেয় পুলিশ। আটক করা হয় তাকে। মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি।

হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন তিনি। হাইকোর্টের নির্দেশের পরও তা জেলা সভাপতি কে অন্ধকারে রেখেই মনোনয়ন দাখিলে বাধাকে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। সদর মহকুমা শাসক সুদীপ পালকে সোমবার হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও দলের আরও কয়েকজন বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদেরও মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এদিন এই ইস্যুতে দলের বৈঠক ছিল রীতিমত সরগরম। এমন ঘটনায় নেতৃত্বরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের জলপাইগুড়ি জেলার পুর নির্বাচনের পর্যবেক্ষক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ” গোটা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হবে।”

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দলে অন্দরের বিষয় জনসম্মুখে আসায় ক্ষোভ উগরে দিলেন মহুয়া গোপ

আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২, রবিবার

জলপাইগুড়ি: “দলের অন্দরে যে ক্ষোভ সামলে নেওয়া যেত সেই বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবহার করা নিয়ে দল সম্পূর্ণ অন্ধকারে। দলের জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি হিসেবে কিছুই জানা নেই আমার।” জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের পুর নির্বাচনী সভায় এই কথা বলেছেন মহুয়া গোপ। মহুয়া বলেন, “জলপাইগুড়ির মুখ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। বিরোধীরা এই ইস্যুতে প্রচার করছে।” উল্লেখ্য, দলের প্রথম প্রার্থী তালিকায় নাম থাকলেও দ্বিতীয় তালিকায় নাম না থাকায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করতে গিয়ে ১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের নেতা মলয় বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে শেখরকে বাধা দেয় পুলিশ। আটক করা হয় তাকে। মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি।

হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন তিনি। হাইকোর্টের নির্দেশের পরও তা জেলা সভাপতি কে অন্ধকারে রেখেই মনোনয়ন দাখিলে বাধাকে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। সদর মহকুমা শাসক সুদীপ পালকে সোমবার হাজিরা দিতে নির্দেশ দিয়েছে। এছাড়াও দলের আরও কয়েকজন বিক্ষুব্ধ প্রার্থীদেরও মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এদিন এই ইস্যুতে দলের বৈঠক ছিল রীতিমত সরগরম। এমন ঘটনায় নেতৃত্বরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের জলপাইগুড়ি জেলার পুর নির্বাচনের পর্যবেক্ষক সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, ” গোটা বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হবে।”