১৪ জুন ২০২৬, রবিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৪ জুন ২০২৬, রবিবার, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাচ্চাদের মিড ডে মিলে পোকা চাঞ্চল্য ছড়ালো পাইকর থানার হরিশপুর গ্রামে

 

মোঃ রিপন , বীরভূম

বীরভূম জেলার পাইকর থানার হরিশপুর গ্রামে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বাচ্চাদের মিড ডে মিলের চালে পোকা যুক্ত খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
পাইকর থানার 11 নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের এই ঘটনা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই সেন্টারে বাচ্চাদের পোকাযুক্ত খিচুড়ির বিরুদ্ধে অভিভাবকরা অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। সেই অভিযোগ শুক্রবার বেশ বড় আকার ধারণ করে। সেন্টারের সহায়িকা উল্টো গ্রামবাসীদের কে ধমক দেন, উনার কথায় অভিযোগ করে কিছুই হবে না গ্রামবাসীদের ,এটাই নাকি সহায়িকার আত্মবিশ্বাস। কার মদতে এই ধরনের কাজ করতে সাহস পায় এই অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা ? কে অধিকার দিয়েছে বাচ্চাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে?গ্রামবাসীদের অভিযোগ বর্তমানে অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টার গুলোতে প্রায়ই এ ধরনের খাবার দেওয়া হয় যা অত্যন্ত নিম্নমানের।পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছে শিশুদের পুষ্টির জন্য কিন্তু এই রকম হলে আদেও কি পুষ্টি ফিরে পাবে বাচ্চারা? উঠছে হাজার প্রশ্ন কিন্তু উত্তর নেই।এই ব্যাপারটা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসা উচিত বলে মনে করেন হরিশপুরের গ্রামবাসী।

ছবি -সংগ্রহিত

মরার উপর খাঁড়ার ঘা, সাতসকালেই অভিষেকের বাড়িতে তালা ভেঙে ঢুকলো শালবনি থানার পুলিশ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাচ্চাদের মিড ডে মিলে পোকা চাঞ্চল্য ছড়ালো পাইকর থানার হরিশপুর গ্রামে

আপডেট : ৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, শনিবার

 

মোঃ রিপন , বীরভূম

বীরভূম জেলার পাইকর থানার হরিশপুর গ্রামে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের বাচ্চাদের মিড ডে মিলের চালে পোকা যুক্ত খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
পাইকর থানার 11 নম্বর অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের এই ঘটনা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই সেন্টারে বাচ্চাদের পোকাযুক্ত খিচুড়ির বিরুদ্ধে অভিভাবকরা অভিযোগ জানিয়ে আসছেন। সেই অভিযোগ শুক্রবার বেশ বড় আকার ধারণ করে। সেন্টারের সহায়িকা উল্টো গ্রামবাসীদের কে ধমক দেন, উনার কথায় অভিযোগ করে কিছুই হবে না গ্রামবাসীদের ,এটাই নাকি সহায়িকার আত্মবিশ্বাস। কার মদতে এই ধরনের কাজ করতে সাহস পায় এই অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকা ? কে অধিকার দিয়েছে বাচ্চাদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে?গ্রামবাসীদের অভিযোগ বর্তমানে অঙ্গনওয়াড়ী সেন্টার গুলোতে প্রায়ই এ ধরনের খাবার দেওয়া হয় যা অত্যন্ত নিম্নমানের।পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছে শিশুদের পুষ্টির জন্য কিন্তু এই রকম হলে আদেও কি পুষ্টি ফিরে পাবে বাচ্চারা? উঠছে হাজার প্রশ্ন কিন্তু উত্তর নেই।এই ব্যাপারটা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসা উচিত বলে মনে করেন হরিশপুরের গ্রামবাসী।

ছবি -সংগ্রহিত