১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১ আষাঢ় ১৪৩৩

হরমুজের নিচে ছড়িয়ে আছে বহু ‘বোমা দানব’, চিন্তিত সকলেই

নিউজ ডেস্ক: বারুদের গন্ধ পেরিয়ে অবশেষে শান্তির ‘বৃষ্টি’ ঝরবে মধ্যপ্রাচ্যে? খুলতে চলেছে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী? শনিবার সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প।কিন্তু তারপরও কাটছে না আশঙ্কার মেঘ। কারণ, হরমুজের নিচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক ‘ঘুমন্ত দানব’। প্রণালী খুললেই চলতে পারে ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ! ব্যাপারটা ঠিক কী? ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরই অস্থির হয়ে ওঠে বিশ্ব। পালটা জবাব দিতে হরমুজ বন্ধ করে দেয় তেহরান। শুধু তাই নয়, জলপথে বিছিয়ে দেয় অসংখ্য মাইন বা বোমা। এখনও সেগুলি সরানো হয়নি। বর্তমানে হরমুজের একটি নির্দিষ্ট পথেই জাহাজ চলাচল করছে। কিন্তু প্রণালীর বাকি অংশে এখনও রয়েছে বিপদ।

ওই অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যিক জাহাজ প্রবেশ করলে নিমেষেই সেগুলি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম মার্কিন কর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আপাতত লক্ষ্য হল ইরানের সঙ্গে দ্রুত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করা এবং হরমুজকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। প্রণালীতে যে মাইনগুলি রয়েছে সেগুলি পরে সরানো হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই জলপথ থেকে মাইন সরানো না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। তাই হরমুজ খুললেও ‘কাঁটা’ হয়ে দাঁড়াবে প্রণালীর ‘ঘুমন্ত দানব’গুলি। উল্লেখ্য, ভারতীয় সময় শনিবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, রবিবারই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করবে আমেরিকা। এর ফলে বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান জলপথ হরমুজ খুলে যাবে।

অভিষেকের PA সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে জারি হলো গ্রেফতারি প্ররোয়ানা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হরমুজের নিচে ছড়িয়ে আছে বহু ‘বোমা দানব’, চিন্তিত সকলেই

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, সোমবার

নিউজ ডেস্ক: বারুদের গন্ধ পেরিয়ে অবশেষে শান্তির ‘বৃষ্টি’ ঝরবে মধ্যপ্রাচ্যে? খুলতে চলেছে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী? শনিবার সেই ইঙ্গিতই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প।কিন্তু তারপরও কাটছে না আশঙ্কার মেঘ। কারণ, হরমুজের নিচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক ‘ঘুমন্ত দানব’। প্রণালী খুললেই চলতে পারে ভয়ংকর ধ্বংসযজ্ঞ! ব্যাপারটা ঠিক কী? ইরানে আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলার পরই অস্থির হয়ে ওঠে বিশ্ব। পালটা জবাব দিতে হরমুজ বন্ধ করে দেয় তেহরান। শুধু তাই নয়, জলপথে বিছিয়ে দেয় অসংখ্য মাইন বা বোমা। এখনও সেগুলি সরানো হয়নি। বর্তমানে হরমুজের একটি নির্দিষ্ট পথেই জাহাজ চলাচল করছে। কিন্তু প্রণালীর বাকি অংশে এখনও রয়েছে বিপদ।

ওই অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যিক জাহাজ প্রবেশ করলে নিমেষেই সেগুলি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমেরিকার এক সংবাদমাধ্যম মার্কিন কর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, আপাতত লক্ষ্য হল ইরানের সঙ্গে দ্রুত শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করা এবং হরমুজকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা। প্রণালীতে যে মাইনগুলি রয়েছে সেগুলি পরে সরানো হবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই জলপথ থেকে মাইন সরানো না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না। তাই হরমুজ খুললেও ‘কাঁটা’ হয়ে দাঁড়াবে প্রণালীর ‘ঘুমন্ত দানব’গুলি। উল্লেখ্য, ভারতীয় সময় শনিবার রাতে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, রবিবারই ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করবে আমেরিকা। এর ফলে বিশ্বের তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান জলপথ হরমুজ খুলে যাবে।