দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভোট পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতি নানা ইস্যু নিয়ে উত্তাল। তার উপর নয়া সংযোজন, সই জাল কান্ডে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল কংগ্রেসের বহিষ্কার করা। তাঁদের দুজনের কীর্তিতে যে প্রাক্তন শাসকদলের অস্বস্তি বৃদ্ধি হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে দুই বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়কের কীর্তিতে।
ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার ফেসবুক লাইভ করে একাধিক বিষয়ে তিনি বক্তব্য রেখেছেন। তার মধ্যে অন্যতম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কৃত করা। নিজের বক্তব্যে তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিপিএমকেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন যে সিপিএম এই কাজটি ঠিক করেছে। শুধু তাই নয়, তাঁকে বিশ্বাসঘাতক তকমা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তাঁরা যা করেছেন, তার জন্য ক্ষমা করেননি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেত্রী বলেন, “সিপিএম করতো। আমাদের ভুল হয়েছে তাকে টিকিট দেওয়া। পায়ে পড়েছিল এসে। সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল। আমি এই একটি ক্ষেত্রে তাদের প্রশংসা করি। তারপরও আমরা তাকে দুবার সাংসদ করেছি। হাওড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে টিকিট কেটে অন্য লোকের। যে বিশ্বাসঘাতকতা এরা করেছে, সেজন্য ক্ষমা করিনি।” এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনের এই অধ্যায়ে আর কি কি দেখা যায়। তৃণমূল কংগ্রেস কি করে বা বিজেপির কি প্রতিক্রিয়া, এই সবকিছুর উপর যে নজর থাকবে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলের, তা না বললেও বোঝা যায়।
নতুন গতি 
























