২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ফর্ম দেওয়া শুরু হল নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, বৃহস্পতিবার
  • 12

মহঃ রিপন, মুরার‌ই

বীরভূম জেলার পাইকর থানার নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু হল। কৃষক বন্ধুদের সুবিধার জন্য নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ কৃষক বন্ধু কর্মীদের পঞ্চায়েত দপ্তরে এসে কাজ করার অনুরোধ জানান সেই কাজে সাড়া দিয়ে কৃষক বন্ধু কর্মীরা পঞ্চায়েত দপ্তরের এসে কাজ শুরু করেন। কৃষক বন্ধুরা হাতের কাছে সুবিধা পেয়ে অত্যন্ত খুশি এবং এর জন্য উনারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নাজরিন সুলতানা কে। সামিউল আলম নামে এক কৃষকের কথায় আমরা অত্যন্ত খুশি হাতের কাছে এই পরিষেবা পেয়ে এবং যে পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছে তার জন্য উনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।কৃষকদের জীবনের গ্যারান্টি তাদের জমি, তাদের ভবিষ্যত্‍ জীবনকে সুরক্ষিত করার জন্য বাংলার সরকার অ্যাসিওরেন্স মডেল তৈরী করছে। ১৮ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত যদি কোনও কোনও কৃষক বা খেত মজুর মারা যান, সে স্বাভাবিক মৃত্যু হোক বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হোক, তাঁর পরিবার যাতে অসহায় না হয়ে যায়, সেজন্য আমাদের সরকার সেই কৃষক পরিবারকে দু লক্ষ টাকা করে দেবে। রাজ্যে প্রায় ৭২ লক্ষ কৃষক ও খেত মজুর পরিবার আছে। এই প্রকল্পের নাম কৃষক বন্ধু। রাজ্য সরকার কৃষক দপ্তর থেকে এই টাকা দেবে। কৃষকদের জীবনের একটা গ্যারান্টি দেওয়া হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।এই প্রকল্পে প্রতি বছর রাজ্য সরকার যে কোনও একটা চাষের জন্য দু ক্ষেপে একর পিছু পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ রাজ্যে ছোট জমির পরিমাণ বেশী। জমি ছোট হলে, একরের অনুপাতে টাকা পাবে। এই প্রকল্পের টাকা জানুয়ারি থেকেই হিসেব শুরু হবে, ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন করতে পারবে। এই প্রকল্পেও সরকারের কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অন্যান্য জায়গায় খরচ কমিয়ে এই খরচগুলো আমাদের চালাতে হবে। এর আগে রাজ্য সরকার কৃষকদের খাজনা মুকুব করেছে।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ফর্ম দেওয়া শুরু হল নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, বৃহস্পতিবার

মহঃ রিপন, মুরার‌ই

বীরভূম জেলার পাইকর থানার নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ফর্ম দেওয়ার কাজ শুরু হল। কৃষক বন্ধুদের সুবিধার জন্য নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ কৃষক বন্ধু কর্মীদের পঞ্চায়েত দপ্তরে এসে কাজ করার অনুরোধ জানান সেই কাজে সাড়া দিয়ে কৃষক বন্ধু কর্মীরা পঞ্চায়েত দপ্তরের এসে কাজ শুরু করেন। কৃষক বন্ধুরা হাতের কাছে সুবিধা পেয়ে অত্যন্ত খুশি এবং এর জন্য উনারা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নাজরিন সুলতানা কে। সামিউল আলম নামে এক কৃষকের কথায় আমরা অত্যন্ত খুশি হাতের কাছে এই পরিষেবা পেয়ে এবং যে পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছে তার জন্য উনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।কৃষকদের জীবনের গ্যারান্টি তাদের জমি, তাদের ভবিষ্যত্‍ জীবনকে সুরক্ষিত করার জন্য বাংলার সরকার অ্যাসিওরেন্স মডেল তৈরী করছে। ১৮ বছর থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত যদি কোনও কোনও কৃষক বা খেত মজুর মারা যান, সে স্বাভাবিক মৃত্যু হোক বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হোক, তাঁর পরিবার যাতে অসহায় না হয়ে যায়, সেজন্য আমাদের সরকার সেই কৃষক পরিবারকে দু লক্ষ টাকা করে দেবে। রাজ্যে প্রায় ৭২ লক্ষ কৃষক ও খেত মজুর পরিবার আছে। এই প্রকল্পের নাম কৃষক বন্ধু। রাজ্য সরকার কৃষক দপ্তর থেকে এই টাকা দেবে। কৃষকদের জীবনের একটা গ্যারান্টি দেওয়া হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।এই প্রকল্পে প্রতি বছর রাজ্য সরকার যে কোনও একটা চাষের জন্য দু ক্ষেপে একর পিছু পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ রাজ্যে ছোট জমির পরিমাণ বেশী। জমি ছোট হলে, একরের অনুপাতে টাকা পাবে। এই প্রকল্পের টাকা জানুয়ারি থেকেই হিসেব শুরু হবে, ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন করতে পারবে। এই প্রকল্পেও সরকারের কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অন্যান্য জায়গায় খরচ কমিয়ে এই খরচগুলো আমাদের চালাতে হবে। এর আগে রাজ্য সরকার কৃষকদের খাজনা মুকুব করেছে।