১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সম্মেলন মেমারিতে

নূর আহমেদ, মেমারি : ৪ ডিসেম্বর, মেমারি ১ পশ্চিম ব্লক কমিটির সম্মেলন স্থান কমরেড মুক্তমল নগর, কমরেড বুদ্ধদেব মান্ডি মঞ্চ পাল্লারোড। সম্মেলন শুরুর আগে একটি মিছিল পাল্লারোড বাজার পরিক্রমা করে পাল্লারোড স্টেশন হয়ে সম্মেলন স্থলে এসে শেষ হয়। সন্ত্রাস কবলিত এলাকা এই পাল্লারোড। ২০১১ সালের পর এই প্রথম মিছিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো পাল্লারোড সিপিআইএম অফিস প্রাঙ্গণে। এলাকার মানুষের মধ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সূচনা হয়। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন অগ্নিভূ মুখার্জী। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন সুব্রত চ্যাটার্জী। সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পূর্ব বর্ধমানজেলা ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সম্পাদক গণেশ চৌধুরী। তিনি বলেন উদার অর্থনীতির কবলে ভারতের অর্থনীতি যখন ধ্বংসের মুখে উন্নয়ণের হার ঋণাত্মক, উতপাদন থমকে দাঁড়িয়ে, কোটি কোটি মানুষ কাজ হারাচ্ছে। এলাকার মানুষ সেখানে কাজ না পেয়ে জেলায়, জেলার মানুষ অন্য রাজ্যে কাজের সন্ধানে চলে যাচ্ছেন, পরিযায়ীদের মতো। বাজারে চাহিদা নাই। কৃষিতে বিনিয়োগ করতে সরকার ইচ্ছুক নয়। কৃষক ফসলের দাম পাচ্ছে না। ঋণগ্রস্ত কৃষক প্রায় প্রতিদিনই আত্মহত্যা করছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বলেছিল বছরে ২ কোটি কাজ বেকারদের দেওয়া হবে তা এখনও পর্যন্ত হয়নি বরং কাজ চলে গেছে। শুধু গত বছরই ৩০ লক্ষ ছেলেমেয়ে কাজ হারিয়েছে। নতুন করে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে।

মেমারির ব্লক এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০০ জন প্রতিনিধি সম্মেলনে হাজির ছিলেন। খসড়া প্রতিবেদন পাঠ করেন আনন্দ ফুলিয়া। প্রতিবেদনের উপর ১৭ জন প্রতিনিধি আলোচনা করেন। অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন টগর দত্ত। সম্মেলন থেকে সম্পাদক নির্বাচিত হন আনন্দ ফুলিয়া, সভাপতি সুব্রত চ্যাটার্জী, কোষাধ্যক্ষ যাদব ক্ষেত্রপাল। ২১ জনের নতুন কমিটি গঠিত হয়।

 

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সম্মেলন মেমারিতে

আপডেট : ৫ ডিসেম্বর ২০২২, সোমবার

নূর আহমেদ, মেমারি : ৪ ডিসেম্বর, মেমারি ১ পশ্চিম ব্লক কমিটির সম্মেলন স্থান কমরেড মুক্তমল নগর, কমরেড বুদ্ধদেব মান্ডি মঞ্চ পাল্লারোড। সম্মেলন শুরুর আগে একটি মিছিল পাল্লারোড বাজার পরিক্রমা করে পাল্লারোড স্টেশন হয়ে সম্মেলন স্থলে এসে শেষ হয়। সন্ত্রাস কবলিত এলাকা এই পাল্লারোড। ২০১১ সালের পর এই প্রথম মিছিল ও সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো পাল্লারোড সিপিআইএম অফিস প্রাঙ্গণে। এলাকার মানুষের মধ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের সূচনা হয়। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন অগ্নিভূ মুখার্জী। শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন সুব্রত চ্যাটার্জী। সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন পূর্ব বর্ধমানজেলা ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের সম্পাদক গণেশ চৌধুরী। তিনি বলেন উদার অর্থনীতির কবলে ভারতের অর্থনীতি যখন ধ্বংসের মুখে উন্নয়ণের হার ঋণাত্মক, উতপাদন থমকে দাঁড়িয়ে, কোটি কোটি মানুষ কাজ হারাচ্ছে। এলাকার মানুষ সেখানে কাজ না পেয়ে জেলায়, জেলার মানুষ অন্য রাজ্যে কাজের সন্ধানে চলে যাচ্ছেন, পরিযায়ীদের মতো। বাজারে চাহিদা নাই। কৃষিতে বিনিয়োগ করতে সরকার ইচ্ছুক নয়। কৃষক ফসলের দাম পাচ্ছে না। ঋণগ্রস্ত কৃষক প্রায় প্রতিদিনই আত্মহত্যা করছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বলেছিল বছরে ২ কোটি কাজ বেকারদের দেওয়া হবে তা এখনও পর্যন্ত হয়নি বরং কাজ চলে গেছে। শুধু গত বছরই ৩০ লক্ষ ছেলেমেয়ে কাজ হারিয়েছে। নতুন করে বেকারের সংখ্যা বেড়েছে।

মেমারির ব্লক এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১০০ জন প্রতিনিধি সম্মেলনে হাজির ছিলেন। খসড়া প্রতিবেদন পাঠ করেন আনন্দ ফুলিয়া। প্রতিবেদনের উপর ১৭ জন প্রতিনিধি আলোচনা করেন। অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন টগর দত্ত। সম্মেলন থেকে সম্পাদক নির্বাচিত হন আনন্দ ফুলিয়া, সভাপতি সুব্রত চ্যাটার্জী, কোষাধ্যক্ষ যাদব ক্ষেত্রপাল। ২১ জনের নতুন কমিটি গঠিত হয়।