৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জনসাধারণকে সচেতন করার স্বার্থে কলকাতা ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করলেন জাজ মোহাম্মদ আলী ইব্রাহিম।

নিজস্ব সংবাদ কলকাতা : ১৮জানুয়ারি,রবিবার,সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ – স্লোগান কে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে কলকাতা পুলিশ একটি বিশাল ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করে। উক্ত ম্যারাথন দৌড় তিনটি বিভাগে বিভক্ত ছিল প্রথমটি ২১ কিলোমিটার, দ্বিতীয়টি ১০ কিলোমিটার, তৃতীয়টি ৫ কিলোমিটার। এই তিনটি ম্যারাথন দৌড়ে আনুমানিক ৫০ হাজার মানুষ বয়স নির্বিশেষে অংশগ্রহণ করেন। কলকাতা ময়দান থেকে দৌড় শুরু হয় এবং বিরাট এলাকা চক্কর দিয়ে কলকাতা ময়দানেই ম্যারাথন দৌড় শেষ হয়। ৫০ হাজার অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে আনুমানিক ৬০% মানুষ ম্যারাথন দৌড় পূর্ণাঙ্গ রূপে সমাপ্ত করেন। উক্ত ম্যারাথন দৌড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তা, বিচারক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও বারুইপুর কোর্টের ফাস্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অর্থাৎ বিচারক মোহাম্মদ আলী ইব্রাহিম এই মহতী সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ স্লোগানকে সামনে রেখে এবং জনসাধারণকে উৎসাহিত সহ সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দেবার জন্য দশ কিলোমিটার হাফ ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেন এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে দৌড় শেষ করায় মেডেল ও সংবর্ধনা লাভ করেন। এই ম্যারাথনে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার সন্তোষ পান্ডে নিজ স্ত্রী সহ ২১ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে এক অন্যান্য নজির সৃষ্টি করেছেন, তিনি বলেন স্ত্রীদের সব সময় পেশাগত কারণে সময় দিতে পারি না কিন্তু একসঙ্গে দৌড়ে সাধারণ মানুষকে একটি সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। সমাপ্তি অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী জনাব ফিরাদ হাকিম সাহেব, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (সংসদ), রুকমিনী মৈত্র এবং অভিনেতা দেব অধিকারী (সংসদ)।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জনসাধারণকে সচেতন করার স্বার্থে কলকাতা ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করলেন জাজ মোহাম্মদ আলী ইব্রাহিম।

আপডেট : ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, রবিবার

নিজস্ব সংবাদ কলকাতা : ১৮জানুয়ারি,রবিবার,সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ – স্লোগান কে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে কলকাতা পুলিশ একটি বিশাল ম্যারাথন দৌড়ের আয়োজন করে। উক্ত ম্যারাথন দৌড় তিনটি বিভাগে বিভক্ত ছিল প্রথমটি ২১ কিলোমিটার, দ্বিতীয়টি ১০ কিলোমিটার, তৃতীয়টি ৫ কিলোমিটার। এই তিনটি ম্যারাথন দৌড়ে আনুমানিক ৫০ হাজার মানুষ বয়স নির্বিশেষে অংশগ্রহণ করেন। কলকাতা ময়দান থেকে দৌড় শুরু হয় এবং বিরাট এলাকা চক্কর দিয়ে কলকাতা ময়দানেই ম্যারাথন দৌড় শেষ হয়। ৫০ হাজার অংশ গ্রহণকারীদের মধ্যে আনুমানিক ৬০% মানুষ ম্যারাথন দৌড় পূর্ণাঙ্গ রূপে সমাপ্ত করেন। উক্ত ম্যারাথন দৌড়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তা, বিচারক ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও বারুইপুর কোর্টের ফাস্ট ক্লাস জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অর্থাৎ বিচারক মোহাম্মদ আলী ইব্রাহিম এই মহতী সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফ স্লোগানকে সামনে রেখে এবং জনসাধারণকে উৎসাহিত সহ সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দেবার জন্য দশ কিলোমিটার হাফ ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেন এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যে দৌড় শেষ করায় মেডেল ও সংবর্ধনা লাভ করেন। এই ম্যারাথনে কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার সন্তোষ পান্ডে নিজ স্ত্রী সহ ২১ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে অংশগ্রহণ করে এক অন্যান্য নজির সৃষ্টি করেছেন, তিনি বলেন স্ত্রীদের সব সময় পেশাগত কারণে সময় দিতে পারি না কিন্তু একসঙ্গে দৌড়ে সাধারণ মানুষকে একটি সচেতনতা বার্তা পৌঁছে দিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছি। সমাপ্তি অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী জনাব ফিরাদ হাকিম সাহেব, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (সংসদ), রুকমিনী মৈত্র এবং অভিনেতা দেব অধিকারী (সংসদ)।