১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জামালপুরের বেরুগ্রামে সংগঠনের বসন্ত উৎসব।

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৭ মার্চ : পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম সংগঠন। এই সংগঠনটি একপ্রকার উন্মাদনার সঙ্গে বসন্ত উৎসব করল। বেরু গ্রামের শুভ মা চন্ডী তলার মাঠে প্যান্ডেল বেঁধে বসন্ত উৎসবের শামিল হলেন সংগঠনের ছেলে মেয়েরা ও স্থানীয় মানুষেরা। দক্ষিণ দামোদরের এই প্রত্যন্ত গ্রামে শহুরে ছোঁয়া না লাগলেও বসন্ত উৎসবে শহরের ধাঁচে ছেলেমেয়েরা রঙিন হয়ে যায়। কবির লেখা …. বসন্তের এই গান খানি …. ছাড়াও বসন্তের বিভিন্ন স্বাদের গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন সকাল থেকেই ছেলেমেয়েরা সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে সকলকে রঙিন করে দেন। বেরু গ্রামের জয়দীপ, পার্থ, সৌরভ, শারুখ, হেমন্ত রা জানান, আজকের বসন্ত উৎসবে রঙিন হওয়ার জন্য এলাকার মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উৎসবে যোগদান করেছেন। প্রাকৃতিক রঙ মেখে সকলে রঙিন হয়ে ওঠেন ও একে অপরকে সৌভাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে রং মাখান। আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত আগামী দিনে পথ চলার ক্ষেত্রে শুভ হবে বলে আমাদের আশা। বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ছাড়াও সংগঠন একাধিক জনসেবা মূলক কাজ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। এই এলাকার ভূমিপুত্র ও বিশিষ্ট সাংবাদিক , শিক্ষক অতনু হাজরার কথায় : সংগঠনটি বসন্ত উৎসব কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধারার মানুষকে একটি প্লাটফর্মে এনে আজকে যে সুন্দর মননশীল অনুষ্ঠানে রঙিন হয়ে উঠল তা অবর্ণনীয়।

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জামালপুরের বেরুগ্রামে সংগঠনের বসন্ত উৎসব।

আপডেট : ৮ মার্চ ২০২৩, বুধবার

লুতুব আলি, বর্ধমান, ৭ মার্চ : পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম সংগঠন। এই সংগঠনটি একপ্রকার উন্মাদনার সঙ্গে বসন্ত উৎসব করল। বেরু গ্রামের শুভ মা চন্ডী তলার মাঠে প্যান্ডেল বেঁধে বসন্ত উৎসবের শামিল হলেন সংগঠনের ছেলে মেয়েরা ও স্থানীয় মানুষেরা। দক্ষিণ দামোদরের এই প্রত্যন্ত গ্রামে শহুরে ছোঁয়া না লাগলেও বসন্ত উৎসবে শহরের ধাঁচে ছেলেমেয়েরা রঙিন হয়ে যায়। কবির লেখা …. বসন্তের এই গান খানি …. ছাড়াও বসন্তের বিভিন্ন স্বাদের গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন সকাল থেকেই ছেলেমেয়েরা সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে সকলকে রঙিন করে দেন। বেরু গ্রামের জয়দীপ, পার্থ, সৌরভ, শারুখ, হেমন্ত রা জানান, আজকের বসন্ত উৎসবে রঙিন হওয়ার জন্য এলাকার মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই উৎসবে যোগদান করেছেন। প্রাকৃতিক রঙ মেখে সকলে রঙিন হয়ে ওঠেন ও একে অপরকে সৌভাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে রং মাখান। আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত আগামী দিনে পথ চলার ক্ষেত্রে শুভ হবে বলে আমাদের আশা। বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ছাড়াও সংগঠন একাধিক জনসেবা মূলক কাজ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। এই এলাকার ভূমিপুত্র ও বিশিষ্ট সাংবাদিক , শিক্ষক অতনু হাজরার কথায় : সংগঠনটি বসন্ত উৎসব কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধারার মানুষকে একটি প্লাটফর্মে এনে আজকে যে সুন্দর মননশীল অনুষ্ঠানে রঙিন হয়ে উঠল তা অবর্ণনীয়।