১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

হাওড়া জুট মিলেরগেটে বিক্ষোভ শ্রমিকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক:- হাওড়া জুট মিলের (Howrah Jute Mill) গেটে বিক্ষোভ শ্রমিকদের। অভিযোগ, ইচ্ছে করে বিদ্যুতের বিল না দিয়ে মিল বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। সোমবার দ্রুত জুট মিল খোলার দাবিতে ম্যানেজারকে আটকে বিক্ষোভ দেখান কর্মচারীরা।২০১৫ সাল থেকে ৬ বার বন্ধ হয়েছে হাওড়ার এই জুট মিলটি।কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক। শেষ খুলেছিল চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি। এর মাঝে মিলের দায়িত্ব পেয়েছেন বহু ব্যক্তি।কিন্তু তাতেও সমস্যা মেটেনি কর্মচারীদের। কখনও পিএফের টাকা, কখনও গ্র্যাচুইটি  তো কখনও বেতনের বাকি বাকি রেখেছে কোম্পানি। তারই দাবিতে সোমবার রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা।ইউনিয়নের কর্মী রবি দাস জানান, ১১  ফেব্রুয়ারি  হাওড়া জুট মিলের বিদ্যুৎ-এর বিল না মেটায় সিএসসি বিদ্যুৎ -এর লাইন কেটে দেয়।কোম্পানি জানিয়ে দেয় নো ওয়ার্ক নো পেয়। ডি এল সি মন্ত্রীকে জানানো হয়। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। বরং গোডাউনের সমস্ত মাল বেচে দেওয়া হচ্ছে। গোডাউনে জিনিসপত্র লরি করে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। খোলার কোনও ইচ্ছে দেখা যাচ্ছে না।বকেয়া বেতন সহ বিভিন্ন খেতের টাকাও দেওয়া হচ্ছে না। বাধ্য হয়েই মিলের গেট আটকে রাখা হয়েছে। এমনকি মিলের ম্যানেজারকেও সোমবার ঢোকার মুখে আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা।☺️

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হাওড়া জুট মিলেরগেটে বিক্ষোভ শ্রমিকদের

আপডেট : ৫ এপ্রিল ২০২২, মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:- হাওড়া জুট মিলের (Howrah Jute Mill) গেটে বিক্ষোভ শ্রমিকদের। অভিযোগ, ইচ্ছে করে বিদ্যুতের বিল না দিয়ে মিল বন্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। সোমবার দ্রুত জুট মিল খোলার দাবিতে ম্যানেজারকে আটকে বিক্ষোভ দেখান কর্মচারীরা।২০১৫ সাল থেকে ৬ বার বন্ধ হয়েছে হাওড়ার এই জুট মিলটি।কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক। শেষ খুলেছিল চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি। এর মাঝে মিলের দায়িত্ব পেয়েছেন বহু ব্যক্তি।কিন্তু তাতেও সমস্যা মেটেনি কর্মচারীদের। কখনও পিএফের টাকা, কখনও গ্র্যাচুইটি  তো কখনও বেতনের বাকি বাকি রেখেছে কোম্পানি। তারই দাবিতে সোমবার রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা।ইউনিয়নের কর্মী রবি দাস জানান, ১১  ফেব্রুয়ারি  হাওড়া জুট মিলের বিদ্যুৎ-এর বিল না মেটায় সিএসসি বিদ্যুৎ -এর লাইন কেটে দেয়।কোম্পানি জানিয়ে দেয় নো ওয়ার্ক নো পেয়। ডি এল সি মন্ত্রীকে জানানো হয়। তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। বরং গোডাউনের সমস্ত মাল বেচে দেওয়া হচ্ছে। গোডাউনে জিনিসপত্র লরি করে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। খোলার কোনও ইচ্ছে দেখা যাচ্ছে না।বকেয়া বেতন সহ বিভিন্ন খেতের টাকাও দেওয়া হচ্ছে না। বাধ্য হয়েই মিলের গেট আটকে রাখা হয়েছে। এমনকি মিলের ম্যানেজারকেও সোমবার ঢোকার মুখে আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা।☺️