নিউজ ডেস্ক: প্রায় দেড় মাসের বেশি যুদ্ধ চলার পর ঘোষণা করা হয়েছিল চার দিনের যুদ্ধবিরতির। গত শুক্রবার চার দিনের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল গত সোমবার। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যুদ্ধবিরতি আরও দুই দিন বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এই যুদ্ধবিরতির মাঝে একাধিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয় দুই তরফ থেকে।
জানা গিয়েছে, যুদ্ধবিরতির প্রথম ৪ দিনে হামাস ৬৯ জিম্মিকে মুক্তি দেয়। তাঁদের মধ্যে ৫১ জন ইসরায়েলি ও ১৮ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক। ১৫০ ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেয় ইসরায়েল। তাঁদের মধ্যে ১১৭ জন শিশু ও ৩৩ জন নারী। তবে ইসরায়েলের হাতে বন্দী ফিলিস্তিনিদের প্রতিনিধিত্ব করা প্যালেস্টাইন প্রিজনার্স সোসাইটি দাবি করেছে, এই সময়ে অন্তত ১৩৩ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েল।
সোসাইটির মুখপাত্র আমানি সারাহনেহ বলেন, “যতদিন ইসরায়েলি দখলদারি থাকবে, ততদিন ফিলিস্তিনিদের গ্রেপ্তার বন্ধ হবেনা। মানুষকে এই বিষয় অবশ্যই বুঝতে হবে। কারণ, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে দখলদারদের একটি কেন্দ্রীয় নীতি। এটি ফিলিস্তিনিদের যেকোনো ধরনের প্রতিরোধ আটকানোর একটি কৌশল।
আমানি সারাহনেহ আরও বলেন, “ফিলিস্তিনিদের গ্রেপ্তার ইসরায়েল শুধু গত ৭ অক্টোবরের পর থেকেই করছেনা। ফিলিস্তিনিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি ইসরায়েলের একটি দৈনন্দিন কাজ। যুদ্ধবিরতির প্রথম চার দিনে আরও বেশিসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হবে।”
নতুন গতি 





























