২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

অসুস্থ মায়ের খাবার জোটাতে ভিক্ষা করছে ছয় বছরের শিশু

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাবা ছেড়ে চলে গিয়েছেন অনেক দিন। অন্যত্র বিয়ে করে সংসার করছেন। খোঁজ নেন না ছোট্ট মেয়ে আর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর। দিন কয়েকের মধ্যে মাও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ছোট্ট এক রত্তি মেয়ে আর কী করবে?‌ মা আর তার পেট ভরাতে গত এক সপ্তাহ ধরে ভিক্ষে করে চলেছে।
ছ’‌বছরের ছোট্ট ভাগ্যশ্রী জানিয়েছে, তাঁর মা দুর্গাম্মার মদ্যপানের আসক্তির জন্যই বাবা ছেড়ে চলে গিয়েছেন তাঁদের। অতিরিক্ত মদ্যপান করায় দুর্গাম্মা অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। কিন্তু তারপর আর প্রতিবেশীরা তাঁদের খোঁজ নেননি। অসুস্থ মায়ের সেবা করা থেকে খাবার জোগার করা সবই এই একরত্তি মেয়ে করে চলেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভিক্ষে করছে শিশুটি। সেই ভিক্ষের টাকা আর খাবার থেকেই মায়ের সেবা যত্ন করে চলেছে ভাগ্যশ্রী।
ঘটনাটি হাসপাতালের অন্য রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের নজরে আসে। তাঁরাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন বিষয়টি। ইতিমধ্যেই খবর পৌঁছে গিয়েছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে।
ভাগ্যশ্রী এবং তাঁর মাকে চিকিৎসার পর নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। একই সঙ্গে ভাগ্যশ্রী যাতে স্কুলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করতে পারে সেটি দেখাশোনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরকে।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অসুস্থ মায়ের খাবার জোটাতে ভিক্ষা করছে ছয় বছরের শিশু

আপডেট : ২৯ মে ২০১৯, বুধবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বাবা ছেড়ে চলে গিয়েছেন অনেক দিন। অন্যত্র বিয়ে করে সংসার করছেন। খোঁজ নেন না ছোট্ট মেয়ে আর প্রথম পক্ষের স্ত্রীর। দিন কয়েকের মধ্যে মাও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ছোট্ট এক রত্তি মেয়ে আর কী করবে?‌ মা আর তার পেট ভরাতে গত এক সপ্তাহ ধরে ভিক্ষে করে চলেছে।
ছ’‌বছরের ছোট্ট ভাগ্যশ্রী জানিয়েছে, তাঁর মা দুর্গাম্মার মদ্যপানের আসক্তির জন্যই বাবা ছেড়ে চলে গিয়েছেন তাঁদের। অতিরিক্ত মদ্যপান করায় দুর্গাম্মা অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাঁকে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। কিন্তু তারপর আর প্রতিবেশীরা তাঁদের খোঁজ নেননি। অসুস্থ মায়ের সেবা করা থেকে খাবার জোগার করা সবই এই একরত্তি মেয়ে করে চলেছে। গত এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভিক্ষে করছে শিশুটি। সেই ভিক্ষের টাকা আর খাবার থেকেই মায়ের সেবা যত্ন করে চলেছে ভাগ্যশ্রী।
ঘটনাটি হাসপাতালের অন্য রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের নজরে আসে। তাঁরাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন বিষয়টি। ইতিমধ্যেই খবর পৌঁছে গিয়েছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে।
ভাগ্যশ্রী এবং তাঁর মাকে চিকিৎসার পর নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। একই সঙ্গে ভাগ্যশ্রী যাতে স্কুলে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করতে পারে সেটি দেখাশোনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরকে।