১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

গলসিতে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ এর কর্মীসভা, বিক্ষুব্ধ কর্মীদের দলে ফেরার আহব্বান

আজিজুর রহমান,গলসি : গলসি ১ নং ব্লকের পুরসা গ্রামে তৃণমূলের ভোট প্রচারে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। এদিন বিকালে এসে প্রথমে তিনি মাঝের পুলে একটি মিছিল করেন। পরে বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি কর্মী সভা করেন। শুরুতে ডক্টর বিধানচন্দ্র রায় এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন জেলা পরিষদের মনোনীত প্রার্থী সুশান্ত সাহা। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন, তিনি গলসি এলাকায় ত্রিশ বছর ধরে আসছেন। এখানকার চল্লিশটি গ্রামে তিনি গেছেন। তিনি কংগ্রেস, বিজেপি ও সিপিআইএম এর উদ্দ্যেশেে বলেন সিপিআইএম দেওয়াল লিখন করা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে না। কারন বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাক্ষান করেছেন। তাই রাজ্যে আর সিপিআইএম আসবে না। আর কংগ্রেস সাড়ে চারদশক ক্ষমতায় নেই। এরা আবার বড় বড় স্বপ্ন দেখছে। অভিন্ন দেওয়ান বিধির বিরোধিতা করে বলেন বিজেপির এক দেশ এক আইন আনতে চাইছে তাতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সমস্যায় পরবেন। বিজেপি ধর্ম নিয়ে ঘৃন্য রাজনীতি করছে। তাদেরও মানুষ মেনে নেবেন না। এখানে শুনছি সিপিআইএম ও কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে। শুনে রাখুন ওনারা বিষ খেতে চাইছেন আর আপনাদেরও বিষ খাওয়াতে চাইছে। মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমে নিজের বাড়ি, পরে পাশের বাড়িতে ও গোটা বুথে বাড়ি বাড়ি যাবে প্রার্থীরা। এছাড়া কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যালট পেপারের পরিচয় করিয়ে দেবেন। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে দলে ফেরত আসুন। কারন পঞ্চায়েতে আমরাই জয়লাভ করবো। রেজাল্টের দলে ফিরলে শেষ বেঞ্চে জায়গা হবে।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গলসিতে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ এর কর্মীসভা, বিক্ষুব্ধ কর্মীদের দলে ফেরার আহব্বান

আপডেট : ১ জুলাই ২০২৩, শনিবার

আজিজুর রহমান,গলসি : গলসি ১ নং ব্লকের পুরসা গ্রামে তৃণমূলের ভোট প্রচারে এলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। এদিন বিকালে এসে প্রথমে তিনি মাঝের পুলে একটি মিছিল করেন। পরে বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি কর্মী সভা করেন। শুরুতে ডক্টর বিধানচন্দ্র রায় এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন জেলা পরিষদের মনোনীত প্রার্থী সুশান্ত সাহা। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন, তিনি গলসি এলাকায় ত্রিশ বছর ধরে আসছেন। এখানকার চল্লিশটি গ্রামে তিনি গেছেন। তিনি কংগ্রেস, বিজেপি ও সিপিআইএম এর উদ্দ্যেশেে বলেন সিপিআইএম দেওয়াল লিখন করা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে না। কারন বাংলার মানুষ তাদের প্রত্যাক্ষান করেছেন। তাই রাজ্যে আর সিপিআইএম আসবে না। আর কংগ্রেস সাড়ে চারদশক ক্ষমতায় নেই। এরা আবার বড় বড় স্বপ্ন দেখছে। অভিন্ন দেওয়ান বিধির বিরোধিতা করে বলেন বিজেপির এক দেশ এক আইন আনতে চাইছে তাতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সমস্যায় পরবেন। বিজেপি ধর্ম নিয়ে ঘৃন্য রাজনীতি করছে। তাদেরও মানুষ মেনে নেবেন না। এখানে শুনছি সিপিআইএম ও কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে। শুনে রাখুন ওনারা বিষ খেতে চাইছেন আর আপনাদেরও বিষ খাওয়াতে চাইছে। মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রথমে নিজের বাড়ি, পরে পাশের বাড়িতে ও গোটা বুথে বাড়ি বাড়ি যাবে প্রার্থীরা। এছাড়া কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যালট পেপারের পরিচয় করিয়ে দেবেন। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন, এখনও সময় আছে দলে ফেরত আসুন। কারন পঞ্চায়েতে আমরাই জয়লাভ করবো। রেজাল্টের দলে ফিরলে শেষ বেঞ্চে জায়গা হবে।