২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
২০ জুন ২০২৬, শনিবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩

গলসিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি পরিদর্শন করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার

আজিজুর রহমান, গলসি : কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড় ডানার তাণ্ডবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি গলসি এলাকার কৃষকরাও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সোমবার সেইসব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি পরিদর্শন করতে আসেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। এদিন বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে তিনি গলসি ১নং ব্লক কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক আয়েষা রানী সহ জেলা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্তারা।

এরপর তিনি স্থানীয় তিলডাঙা গ্রামে একটি বীমা ক্যাম্পে যান। সেখানে সরাসরি এলাকার কৃষকদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি গ্রামের পাশে বেশকিছু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমিও পরিদর্শন করেন। কৃষকরা তাদের অসুবিধার কথা জানালে মন্ত্রী তাদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেন এবং যাদের বিমার আবেদন নেই তাদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সন্তুষ্ট হন এলাকার কৃষকরা।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানান, বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কৃষকদের জমির ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের কথা ভেবে সম্পূর্ণ সরকারি উদ্যোগে আটশো কোটি টাকা ব্যয়ে শস্যবীমা চালু করেছেন। তার নির্দেশে তিনি ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে মাঠে এসেছেন। এছাড়া, মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি তাকে ও কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাদের বীমা কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং গত বছরের সঙ্গে এই বছরের উৎপাদিত ফসলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দ্রুত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেছেন বলে জানান তিনি।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গলসিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি পরিদর্শন করলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার

আপডেট : ৪ নভেম্বর ২০২৪, সোমবার

আজিজুর রহমান, গলসি : কয়েকদিন আগে ঘূর্ণিঝড় ডানার তাণ্ডবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি গলসি এলাকার কৃষকরাও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন। সোমবার সেইসব ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি পরিদর্শন করতে আসেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। এদিন বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে তিনি গলসি ১নং ব্লক কার্যালয়ে পৌঁছান। সেখানে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাসক আয়েষা রানী সহ জেলা ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্তারা।

এরপর তিনি স্থানীয় তিলডাঙা গ্রামে একটি বীমা ক্যাম্পে যান। সেখানে সরাসরি এলাকার কৃষকদের সমস্যার কথা শোনেন। তিনি গ্রামের পাশে বেশকিছু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমিও পরিদর্শন করেন। কৃষকরা তাদের অসুবিধার কথা জানালে মন্ত্রী তাদের ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেন এবং যাদের বিমার আবেদন নেই তাদের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সন্তুষ্ট হন এলাকার কৃষকরা।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানান, বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কৃষকদের জমির ফসল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষকদের কথা ভেবে সম্পূর্ণ সরকারি উদ্যোগে আটশো কোটি টাকা ব্যয়ে শস্যবীমা চালু করেছেন। তার নির্দেশে তিনি ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে মাঠে এসেছেন। এছাড়া, মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি তাকে ও কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাদের বীমা কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং গত বছরের সঙ্গে এই বছরের উৎপাদিত ফসলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দ্রুত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলেছেন বলে জানান তিনি।