১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

CPIM: বিকল্প সরকার গড়তে আইএসএফের সঙ্গে জোট করা ভুল হয়েছিল

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে জোট নিয়ে বারবারই কথা উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। সিপিএমের শূন্য আসনের ক্ষেত্রেও পরোক্ষভাবে কাঠগড়ায় এসেছে জোট। এবার রাজ্য নেতৃত্বকে তুলোধনা করে রিপোর্ট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, সংযুক্ত মোর্চা কখনওই স্থায়ী কাঠামো হতে পারে না। বিকল্প সরকার গড়তে আইএসএফের সঙ্গে জোট করা ভুল হয়েছিল। এমনকি সংযুক্ত মোর্চার নামে ভোটে লড়াও ভুল ছিল। যৌথ ইস্তেহার প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটির রিপোর্টে আরও বলা হয়, ‘আইএসএফের মুসলিম ভাবমূর্তি নির্বাচনী সমঝোতাকে আঘাত করেছে।’ তৃণমূল এবং বিজেপি বিরোধী ভোট আনার জন্যই কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে জোটে সমঝোতা করেছিল রাজ্য সিপিএম। তবে সংযুক্ত মোর্চা যেকোনও বিকল্প সরকার গড়বে, এমন উদ্দেশ্য ছিল না। কেন্দ্রীয় কমিটির এই রিপোর্ট আলিমুদ্দিনের অস্বস্তি যে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল, তা অবধারিতভাবে বলা যায়। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, সিপিএমের প্রধান রাজনৈতিক শত্রু তাহলে কারা? তা কি এখনও নির্ধারণ করা যায়নি? শূন্য আসন কি তারই ফলাফল? এখন তাহলে বাম নেতৃত্ব কাকে তাঁদের প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করবে! বিজেপি না তৃণমূল? কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলছেন, ‘বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল। একথা অস্বীকার করার জায়গা নেই। আমরা জোটকে স্থায়ী রাস্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি।’

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

CPIM: বিকল্প সরকার গড়তে আইএসএফের সঙ্গে জোট করা ভুল হয়েছিল

আপডেট : ১৪ অগাস্ট ২০২১, শনিবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনে জোট নিয়ে বারবারই কথা উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। সিপিএমের শূন্য আসনের ক্ষেত্রেও পরোক্ষভাবে কাঠগড়ায় এসেছে জোট। এবার রাজ্য নেতৃত্বকে তুলোধনা করে রিপোর্ট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, সংযুক্ত মোর্চা কখনওই স্থায়ী কাঠামো হতে পারে না। বিকল্প সরকার গড়তে আইএসএফের সঙ্গে জোট করা ভুল হয়েছিল। এমনকি সংযুক্ত মোর্চার নামে ভোটে লড়াও ভুল ছিল। যৌথ ইস্তেহার প্রকাশ করা ঠিক হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটির রিপোর্টে আরও বলা হয়, ‘আইএসএফের মুসলিম ভাবমূর্তি নির্বাচনী সমঝোতাকে আঘাত করেছে।’ তৃণমূল এবং বিজেপি বিরোধী ভোট আনার জন্যই কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে জোটে সমঝোতা করেছিল রাজ্য সিপিএম। তবে সংযুক্ত মোর্চা যেকোনও বিকল্প সরকার গড়বে, এমন উদ্দেশ্য ছিল না। কেন্দ্রীয় কমিটির এই রিপোর্ট আলিমুদ্দিনের অস্বস্তি যে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল, তা অবধারিতভাবে বলা যায়। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, সিপিএমের প্রধান রাজনৈতিক শত্রু তাহলে কারা? তা কি এখনও নির্ধারণ করা যায়নি? শূন্য আসন কি তারই ফলাফল? এখন তাহলে বাম নেতৃত্ব কাকে তাঁদের প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করবে! বিজেপি না তৃণমূল? কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলছেন, ‘বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল। একথা অস্বীকার করার জায়গা নেই। আমরা জোটকে স্থায়ী রাস্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি।’