১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

ফিরহাদ হাকিম: ক্রেতা, বিক্রেতা দু’জনদেরই সুরক্ষার জন্য সচেতনতার প্রচার শুরু হয়েছে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: অক্টোবরে পুজো। এখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে কেনাকাটা। কিন্তু উত্‍সবের আনন্দ যেন ডেকে না আনে করোনা সংক্রমণ। তাই, আগেভাগেই সতর্ক কলকাতা পুরসভা। শহরের বিভিন্ন বাজারে শুরু হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করার উদ্যোগ।

আর দেড় মাসের অপেক্ষা। তারপরেই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব, দুর্গাপুজো। আনন্দের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে মাস দু’য়েক আগে থেকেই। এখন থেকেই দোকানে-দোকানে জামা কাপড় কেনার ভিড়। শনি-রবিবার বা ছুটির দিনে ভিড় বাড়ছে নিউমার্কেট, হাতিবাগান, গড়িয়াহাট চত্বরে। কিন্তু উৎসবের হাত ধরে যেন সংক্রমণ ছড়াতে না পারে মারণ ভাইরাস। তাই আগে ভাগেই তত্‍পর কলকাতা পুরসভা।

পুরসভার তরফে কলকাতার বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হল। এ নিয়ে এদিন পুরসভায় কলকাতা পুলিশের সঙ্গে বৈঠক হয়। পুরসভার বাজারগুলি প্রতিদিন খোলা ও বন্ধের সময় স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে কলকাতা পুরসভার বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সের চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘ক্রেতা, বিক্রেতা দু’জনদেরই সুরক্ষার জন্য সচেতনতার প্রচার শুরু হয়েছে। ক্রেতারা মাস্ক না পরলে দোকানদারদের বলতে হবে। যদি তাতেও কথা না শোনে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিন বিকেল থেকেই শহরের বাজারগুলিতে শুরু হয়ে যায় সচেতনতা প্রচার। সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট তাদের রিপোর্টে দাবি করেছে, পুজোর আগে অক্টোবরেই দেশে শিখর ছুঁতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ।

এই পরিস্থিতিতে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়লে, তার জন্যও আগাম সতর্কতা নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতায় শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে একাধিক সেফ হোম। যেখানে অভিভাবকদেরও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের রিপোর্টে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুরা বেশি সংক্রমিত হবে, এরকম কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণের উল্লেখ নেই।

এদিকে, শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৭১৯ জনকে। রাজ্যে এখন অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৪ কমে হয়েছে ৯,১৪৩। রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৮.২২।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফিরহাদ হাকিম: ক্রেতা, বিক্রেতা দু’জনদেরই সুরক্ষার জন্য সচেতনতার প্রচার শুরু হয়েছে

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২১, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: অক্টোবরে পুজো। এখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে কেনাকাটা। কিন্তু উত্‍সবের আনন্দ যেন ডেকে না আনে করোনা সংক্রমণ। তাই, আগেভাগেই সতর্ক কলকাতা পুরসভা। শহরের বিভিন্ন বাজারে শুরু হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করার উদ্যোগ।

আর দেড় মাসের অপেক্ষা। তারপরেই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব, দুর্গাপুজো। আনন্দের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে মাস দু’য়েক আগে থেকেই। এখন থেকেই দোকানে-দোকানে জামা কাপড় কেনার ভিড়। শনি-রবিবার বা ছুটির দিনে ভিড় বাড়ছে নিউমার্কেট, হাতিবাগান, গড়িয়াহাট চত্বরে। কিন্তু উৎসবের হাত ধরে যেন সংক্রমণ ছড়াতে না পারে মারণ ভাইরাস। তাই আগে ভাগেই তত্‍পর কলকাতা পুরসভা।

পুরসভার তরফে কলকাতার বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হল। এ নিয়ে এদিন পুরসভায় কলকাতা পুলিশের সঙ্গে বৈঠক হয়। পুরসভার বাজারগুলি প্রতিদিন খোলা ও বন্ধের সময় স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে কলকাতা পুরসভার বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সের চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘ক্রেতা, বিক্রেতা দু’জনদেরই সুরক্ষার জন্য সচেতনতার প্রচার শুরু হয়েছে। ক্রেতারা মাস্ক না পরলে দোকানদারদের বলতে হবে। যদি তাতেও কথা না শোনে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিন বিকেল থেকেই শহরের বাজারগুলিতে শুরু হয়ে যায় সচেতনতা প্রচার। সম্প্রতি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট তাদের রিপোর্টে দাবি করেছে, পুজোর আগে অক্টোবরেই দেশে শিখর ছুঁতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ।

এই পরিস্থিতিতে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়লে, তার জন্যও আগাম সতর্কতা নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতায় শিশুদের জন্য তৈরি করা হয়েছে একাধিক সেফ হোম। যেখানে অভিভাবকদেরও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের রিপোর্টে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুরা বেশি সংক্রমিত হবে, এরকম কোনও প্রত্যক্ষ প্রমাণের উল্লেখ নেই।

এদিকে, শুক্রবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ৭১৯ জনকে। রাজ্যে এখন অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৪ কমে হয়েছে ৯,১৪৩। রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৯৮.২২।