১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

দুই সপ্তাহে এক কোটির বেশি মানুষ দুয়ারে সরকারে নাম লিখিয়েছেন বললেন মমতা

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: একদিকে তাসের ঘরের মতো ভাঙছে নিজের হাতে তৈরি করা সাধের দল। একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ, নেতা-কর্মী দল ছাড়ছেন। যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে। কিন্তু তবুও ভাঙতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের কোর কমিটির বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে। সেই লক্ষ্যে গত ১ ডিসেম্বর দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। মাত্র দুসপ্তাহে এক কোটিরও বেশি মানুষ সরকারি শিবিরে নাম নথিভুক্ত করেছেন। শনিবার সেকথাই টুইট করে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রথম টুইটে মমতা লিখেছেন, “আনন্দের সঙ্গে এটা জানাচ্ছি যে, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং সুবিধা পাওয়ার মাত্র ২ সপ্তাহে বাংলার ১ কোটি মানুষ ১০ হাজার সরকারি পরিষেবা শিবিরে গিয়েছেন। নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন।” দ্বিতীয় টুইটে মমতা বলেছেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সব আধিকারিক, কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। তাঁরা এই সময় ধরে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা শিবিরগুলি পরিচালনায় সময় দিয়েছেন। শিবিরগুলির পরিদর্শক এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণকারীদেরও আমার অভিনন্দন।
তৃতীয় এবং শেষ টুইটে তিনি লিখেছেন, আমি আশ্বাস দিচ্ছি, বাংলার মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা কোনও ভুল করব না। উল্লেখ্য, যেভাবে দল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে তাতে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে শুক্রবার সন্ধেয় তড়িঘড়ি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোর কমিটির নেতাদের ইতিবাচক বার্তা দিয়ে বলেন, “একুশে জয় নিশ্চিত। শুধু সকলকে এক সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ আরও বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বাড়াতে হবে জনসংযোগ। প্রত্যেকের কাছে গিয়ে তাঁদের সমস্যা জানতে হবে। চেষ্টা করতে হবে সমাধানের।”

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দুই সপ্তাহে এক কোটির বেশি মানুষ দুয়ারে সরকারে নাম লিখিয়েছেন বললেন মমতা

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২০, রবিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: একদিকে তাসের ঘরের মতো ভাঙছে নিজের হাতে তৈরি করা সাধের দল। একের পর এক বিধায়ক-সাংসদ, নেতা-কর্মী দল ছাড়ছেন। যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে। কিন্তু তবুও ভাঙতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের কোর কমিটির বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে। সেই লক্ষ্যে গত ১ ডিসেম্বর দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। মাত্র দুসপ্তাহে এক কোটিরও বেশি মানুষ সরকারি শিবিরে নাম নথিভুক্ত করেছেন। শনিবার সেকথাই টুইট করে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রথম টুইটে মমতা লিখেছেন, “আনন্দের সঙ্গে এটা জানাচ্ছি যে, বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা এবং সুবিধা পাওয়ার মাত্র ২ সপ্তাহে বাংলার ১ কোটি মানুষ ১০ হাজার সরকারি পরিষেবা শিবিরে গিয়েছেন। নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন।” দ্বিতীয় টুইটে মমতা বলেছেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সব আধিকারিক, কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। তাঁরা এই সময় ধরে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা শিবিরগুলি পরিচালনায় সময় দিয়েছেন। শিবিরগুলির পরিদর্শক এবং সরকারি পরিষেবা গ্রহণকারীদেরও আমার অভিনন্দন।
তৃতীয় এবং শেষ টুইটে তিনি লিখেছেন, আমি আশ্বাস দিচ্ছি, বাংলার মানুষের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে আমরা কোনও ভুল করব না। উল্লেখ্য, যেভাবে দল ছাড়ার হিড়িক পড়েছে তাতে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে শুক্রবার সন্ধেয় তড়িঘড়ি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোর কমিটির নেতাদের ইতিবাচক বার্তা দিয়ে বলেন, “একুশে জয় নিশ্চিত। শুধু সকলকে এক সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ আরও বেশি করে মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। বাড়াতে হবে জনসংযোগ। প্রত্যেকের কাছে গিয়ে তাঁদের সমস্যা জানতে হবে। চেষ্টা করতে হবে সমাধানের।”