১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভয়াবহ দুটি পৃথক পথ দুর্ঘটনা পাইকরে

মোঃ রিপন, মুরারই :

প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরা হলোনা বীরভূম জেলার পাইকর থানার মিরপুর গ্রামের 10 বছরের ধলু সেখের।মর্মান্তিক বাইক দুর্ঘটনায় নিহত হন ওই ছোট্ট কিশোর। পিতার নাম বাবলু শেখ। পেশায় দিনমজুর। সেদিনই ধলু সেখের সাথে আরো ও আহত ৩ টি বাচ্চা সিজারুল (১২) রাজিবুল শেখ (১১ )জহিরুল শেখ(৮) । মুরার‌ইয়ের কয়েকজন যুবক মদ খেয়ে
অত্যাধিক গতিতে বাইক চালানোর ভরে সজোরে এসে ধাক্কা মারে এই চারটি বাচ্চাকে সঙ্গে সঙ্গে ধুলো সেখের মাথার খুলি খুলে যায় পরে জঙ্গিপুর হাসপাতাল নিয়ে গেলে সে মারা যায়। অন্যদিকে মুরারই থানার সন্তোষপুর গ্রামের বছর 25 এর এক যুবক ট্রাক্টরের ধাক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। মুরারই ও পাইকর থানায় একদিনে এই দুটি পৃথক অ্যাক্সিডেন্টে শোকের ছায়া নেমে আসে। মিরপুর ও পাইকর গ্রামের কিছু উত্তেজিত জনতা ক্ষোভ দেখায়। গ্রামবাসীদের দাবি বহু যুবক গ্রামের ভেতর দিয়ে দৈত্যের বেগে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা ছোট ছেলেমেয়েদের স্কুলে ও কোচিং সেন্টারে পাঠাতে ভয় পাচ্ছি। প্রশাসনের তরফ থেকে বহুবার পথ সচেতনতা র্যালি করা হলেও ফলাফল বলতে গেলে কিছুই আসেনি। মুরারই থানা ও পাইকর থানাতে দিন দিন পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। মানুষের বাড়ি থেকে বার হয়ে হাটে বাজারে যাওয়াটাই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচিত আরো কঠোরভাবে এই সমস্ত ব্যাপার গুলোতে সচেতন হওয়া। উত্তেজিত গ্রামবাসীর অভিযোগ এত বেশি পথ দুর্ঘটনার কারণ হলো একমাত্র মদ। মদ খাওয়ার ফলেই এত বেশি পথ দুর্ঘটনা হচ্ছে।

সাড়ে তিন মাস পরে ইরানের সঙ্গে ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করলো ট্রাম্প

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভয়াবহ দুটি পৃথক পথ দুর্ঘটনা পাইকরে

আপডেট : ২৮ জানুয়ারী ২০১৯, সোমবার

মোঃ রিপন, মুরারই :

প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরা হলোনা বীরভূম জেলার পাইকর থানার মিরপুর গ্রামের 10 বছরের ধলু সেখের।মর্মান্তিক বাইক দুর্ঘটনায় নিহত হন ওই ছোট্ট কিশোর। পিতার নাম বাবলু শেখ। পেশায় দিনমজুর। সেদিনই ধলু সেখের সাথে আরো ও আহত ৩ টি বাচ্চা সিজারুল (১২) রাজিবুল শেখ (১১ )জহিরুল শেখ(৮) । মুরার‌ইয়ের কয়েকজন যুবক মদ খেয়ে
অত্যাধিক গতিতে বাইক চালানোর ভরে সজোরে এসে ধাক্কা মারে এই চারটি বাচ্চাকে সঙ্গে সঙ্গে ধুলো সেখের মাথার খুলি খুলে যায় পরে জঙ্গিপুর হাসপাতাল নিয়ে গেলে সে মারা যায়। অন্যদিকে মুরারই থানার সন্তোষপুর গ্রামের বছর 25 এর এক যুবক ট্রাক্টরের ধাক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। মুরারই ও পাইকর থানায় একদিনে এই দুটি পৃথক অ্যাক্সিডেন্টে শোকের ছায়া নেমে আসে। মিরপুর ও পাইকর গ্রামের কিছু উত্তেজিত জনতা ক্ষোভ দেখায়। গ্রামবাসীদের দাবি বহু যুবক গ্রামের ভেতর দিয়ে দৈত্যের বেগে গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা ছোট ছেলেমেয়েদের স্কুলে ও কোচিং সেন্টারে পাঠাতে ভয় পাচ্ছি। প্রশাসনের তরফ থেকে বহুবার পথ সচেতনতা র্যালি করা হলেও ফলাফল বলতে গেলে কিছুই আসেনি। মুরারই থানা ও পাইকর থানাতে দিন দিন পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। মানুষের বাড়ি থেকে বার হয়ে হাটে বাজারে যাওয়াটাই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচিত আরো কঠোরভাবে এই সমস্ত ব্যাপার গুলোতে সচেতন হওয়া। উত্তেজিত গ্রামবাসীর অভিযোগ এত বেশি পথ দুর্ঘটনার কারণ হলো একমাত্র মদ। মদ খাওয়ার ফলেই এত বেশি পথ দুর্ঘটনা হচ্ছে।