২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

বকেয়া বিল ও সিকিউরিটি ফেরতের দাবিতে রাজনগর বিডিওকে ঠিকাদারদের ডেপুটেশন

খান আরশাদ, বীরভূম:

সরকারি নির্দেশ মেনে কাজ শেষ করার পরেও মিলছে না ন্যায্য পাওনা— এই অভিযোগে বীরভূমের রাজনগর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর কাছে ডেপুটেশন দিলেন স্থানীয় ঠিকাদারেরা। আবাস যোজনা, পথশ্রী প্রকল্প এবং ১০০ দিনের কাজের (MGNREGS) বকেয়া বিল মেটানো এবং কাজের সিকিউরিটি ডিপোজিট ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।

বিক্ষুব্ধ ঠিকাদারদের অভিযোগ, বিডিও-র স্বাক্ষর করা ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে তাঁরা নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আবেদন জানানো সত্ত্বেও বিল পরিশোধ করা হচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফান্ড না থাকা ও উপরমহলের নির্দেশের অভাবের কারণ দেখানো হচ্ছে। এমনকি প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও জমা রাখা ১০ শতাংশ সিকিউরিটি ডিপোজিট এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।

বকেয়া আদায়ের দাবিতে ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে আইনজীবী মারফত বিডিও, এডিএম এবং জেলাশাসকের (ডিএম) কাছে আইনি চিঠি পাঠানো হলেও ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান বা উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ।

এ ছাড়াও ঠিকাদারদের পক্ষে পরিতোষ মন্ডল জানান রাজনগর ব্লকের মুক্তিপুর পুকুর সংস্কার কাজের অর্ধেক বিল এখনও আটকে রয়েছে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রীর বিল দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া। এলাকায় তীব্র বালি সংকটের কারণে ব্লকের প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি চলমান উন্নয়নমূলক কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

ব্লকের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জন ঠিকাদারের একাংশের বহু টাকা এভাবে আটকে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপর এখনও আস্থা রয়েছে জানিয়ে ঠিকাদাররা দ্রুত সমস্ত বকেয়া মেটানো এবং সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

 

৩৫ বছর পর বিধায়কের পা পড়ল কাঁকসার জামদহে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বকেয়া বিল ও সিকিউরিটি ফেরতের দাবিতে রাজনগর বিডিওকে ঠিকাদারদের ডেপুটেশন

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার

খান আরশাদ, বীরভূম:

সরকারি নির্দেশ মেনে কাজ শেষ করার পরেও মিলছে না ন্যায্য পাওনা— এই অভিযোগে বীরভূমের রাজনগর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও)-এর কাছে ডেপুটেশন দিলেন স্থানীয় ঠিকাদারেরা। আবাস যোজনা, পথশ্রী প্রকল্প এবং ১০০ দিনের কাজের (MGNREGS) বকেয়া বিল মেটানো এবং কাজের সিকিউরিটি ডিপোজিট ফেরতের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁরা।

বিক্ষুব্ধ ঠিকাদারদের অভিযোগ, বিডিও-র স্বাক্ষর করা ওয়ার্ক অর্ডার নিয়ে তাঁরা নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আবেদন জানানো সত্ত্বেও বিল পরিশোধ করা হচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফান্ড না থাকা ও উপরমহলের নির্দেশের অভাবের কারণ দেখানো হচ্ছে। এমনকি প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও জমা রাখা ১০ শতাংশ সিকিউরিটি ডিপোজিট এখনও ফেরত দেওয়া হয়নি।

বকেয়া আদায়ের দাবিতে ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে আইনজীবী মারফত বিডিও, এডিএম এবং জেলাশাসকের (ডিএম) কাছে আইনি চিঠি পাঠানো হলেও ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান বা উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ।

এ ছাড়াও ঠিকাদারদের পক্ষে পরিতোষ মন্ডল জানান রাজনগর ব্লকের মুক্তিপুর পুকুর সংস্কার কাজের অর্ধেক বিল এখনও আটকে রয়েছে। ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের প্রয়োজনীয় নির্মাণ সামগ্রীর বিল দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া। এলাকায় তীব্র বালি সংকটের কারণে ব্লকের প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি চলমান উন্নয়নমূলক কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

ব্লকের প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জন ঠিকাদারের একাংশের বহু টাকা এভাবে আটকে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপর এখনও আস্থা রয়েছে জানিয়ে ঠিকাদাররা দ্রুত সমস্ত বকেয়া মেটানো এবং সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।