১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

চাকরির পিছনে নয় চাকরি ছুটে বর্ধমানের আকিল খানের পিছনে

এম এস ইসলাম, বর্ধমান : সবাই যখন চাকরির পিছনে ছুটে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ঠিক সেই সময়ই জিএসটি অফিসার আকিল খানের পিছনে আরো বড় সম্ভাবনা। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘর থেকে উঠে এসে ডাব্লু বি সি এস এক্সিকিউটিভে রাজ্যে ২১ র‍্যাংক করা আকিল খান প্রমাণ করলো কোন কিছুই অসম্ভব নয়। বর্ধমান শহরের পীর বাহরামের নুরুল ইসলাম খান ও রোকেয়া বেগমের দুই সন্তানের জ্যেষ্ঠ পুত্র আকিল খান। এবছর ডাব্লু বিসিএস এক্সিকিউটিভে ২১ র‍্যাঙ্ক করে হবু বিডিও হতে চলেছে।এই সাফল্যে প্রথমে সে মহান প্রভু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।ভদ্র নম্র পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী ঈমানদার আকিল সমস্ত মানুষ ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য কাজ করতে চান।উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে বর্ধমান সি এম এস স্কুল থেকে। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র আকিল। পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন বর্ধমান বিবেকানন্দ কলেজ থেকে।কলকাতার একাডেমিক অ্যাসোসিয়েশনের শামীম সরকার ও জি ডি একাডেমির শহিদুল ইসলাম আই এ এস স্যারের কথা জীবনে ভুলতে পারবেন না বলে জানালেন আকিল। বর্তমানে জিএসটি অফিসার আকিল বর্ধমান অফিসে যুক্ত । রাজ্য সরকারের যুব সংসদ কুইজ প্রতিযোগিতায় তিনবার স্টেট চ্যাম্পিয়ন, একবার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আকিল। কুইজের প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা আকিলকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে বলে সে জানায়। প্রথম থেকে ডব্লিউ বিসিএস এক্সিকিউটিভ হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এর আগেও সে ডাব্লু বিসিএস পাস করে জি এস টি অফিসার হয়েছেন। সাড়ে তিন বছর চাকরি করা হয়ে গেছে আকিলের। পড়াশুনা খেলাধুলা সমস্ত বিষয়ে দক্ষ আকিল এলাকায় খুবই জনপ্রিয়। বাবা বর্ধমানের বড় বাজারে স্টেশনারি দোকান চালান। খান ব্রাদাস নামের দোকান চালিয়ে সংসার ও দুই ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। ছেলের গর্বে গর্বিত বাবা নুরুল ইসলাম খান ও মা রোকেয়া বেগম। আকিল ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন অদম্য ইচ্ছা আন্তরিক চেষ্টা থাকলে কোন প্রতিবন্ধকতাই বাধা হতে পারে না সাফল্য ধরা দেবেই।

সর্বাধিক পাঠিত

নিখোঁজ নাবালক, চিন্তায় পরিবার। মহঃনাজিম আক্তার, হরিশ্চন্দ্রপুর হরিশ্চন্দ্রপুর,৩ আগস্টঃ বাবার সঙ্গে সামান্য বচসার জেরে শনিবার নিখোঁজ হয় এক নাবালক।নাম দুর্জয় প্রামাণিক ।তার বয়স ১০ বছর। তার গায়ের রং শ্যামলা। উচ্চতা ৩ ফুট ৫ ইঞ্চি। হারিয়ে যাওয়ার সময় তার পরনে ছিল নীল হলুদ রঙের ফুল চেক শার্ট ও ধূসর রঙের হাফ প্যান্ট । তার বাড়ি মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর -২ নং ব্লকের দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিপাকড় গ্রামে ।বাবার নাম ডোমা প্রামাণিক ও মায়ের নাম চন্দনা প্রামাণিক । ৩ আগস্ট ২০১৯ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টার সময় বাবার সঙ্গে মনমালিন্য করে রেগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় দুর্জয় প্রামাণিক ।বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় অনেকটা সময় কেটে গেলে খোঁজাখুঁজি শুরু করে তার পরিবার। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। দুর্জয়ের বাবা ডোমা প্রামাণিক বলেন, “ আমার ছেলে বলে বলছি না ও খুব ভালো ছেলে ।তবে ও এটা কি করে করল সেটা বুঝতে পারছি না ।তবে কেউ কিডন্যাপ করে নি তো? কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান জেনে থাকলে ৮১০১৪৮৪৯২১ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো ।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চাকরির পিছনে নয় চাকরি ছুটে বর্ধমানের আকিল খানের পিছনে

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২৩, রবিবার

এম এস ইসলাম, বর্ধমান : সবাই যখন চাকরির পিছনে ছুটে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ঠিক সেই সময়ই জিএসটি অফিসার আকিল খানের পিছনে আরো বড় সম্ভাবনা। সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘর থেকে উঠে এসে ডাব্লু বি সি এস এক্সিকিউটিভে রাজ্যে ২১ র‍্যাংক করা আকিল খান প্রমাণ করলো কোন কিছুই অসম্ভব নয়। বর্ধমান শহরের পীর বাহরামের নুরুল ইসলাম খান ও রোকেয়া বেগমের দুই সন্তানের জ্যেষ্ঠ পুত্র আকিল খান। এবছর ডাব্লু বিসিএস এক্সিকিউটিভে ২১ র‍্যাঙ্ক করে হবু বিডিও হতে চলেছে।এই সাফল্যে প্রথমে সে মহান প্রভু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।ভদ্র নম্র পাঁচ ওয়াক্ত নামাজী ঈমানদার আকিল সমস্ত মানুষ ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য কাজ করতে চান।উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে বর্ধমান সি এম এস স্কুল থেকে। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র আকিল। পদার্থবিদ্যায় স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন বর্ধমান বিবেকানন্দ কলেজ থেকে।কলকাতার একাডেমিক অ্যাসোসিয়েশনের শামীম সরকার ও জি ডি একাডেমির শহিদুল ইসলাম আই এ এস স্যারের কথা জীবনে ভুলতে পারবেন না বলে জানালেন আকিল। বর্তমানে জিএসটি অফিসার আকিল বর্ধমান অফিসে যুক্ত । রাজ্য সরকারের যুব সংসদ কুইজ প্রতিযোগিতায় তিনবার স্টেট চ্যাম্পিয়ন, একবার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আকিল। কুইজের প্রতি অসম্ভব ভালোবাসা আকিলকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছে বলে সে জানায়। প্রথম থেকে ডব্লিউ বিসিএস এক্সিকিউটিভ হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এর আগেও সে ডাব্লু বিসিএস পাস করে জি এস টি অফিসার হয়েছেন। সাড়ে তিন বছর চাকরি করা হয়ে গেছে আকিলের। পড়াশুনা খেলাধুলা সমস্ত বিষয়ে দক্ষ আকিল এলাকায় খুবই জনপ্রিয়। বাবা বর্ধমানের বড় বাজারে স্টেশনারি দোকান চালান। খান ব্রাদাস নামের দোকান চালিয়ে সংসার ও দুই ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। ছেলের গর্বে গর্বিত বাবা নুরুল ইসলাম খান ও মা রোকেয়া বেগম। আকিল ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন অদম্য ইচ্ছা আন্তরিক চেষ্টা থাকলে কোন প্রতিবন্ধকতাই বাধা হতে পারে না সাফল্য ধরা দেবেই।