২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩

লকআপে যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের

নিজস্ব সংবাদদাতা : লকআপে যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। ঘটনার আগে ও পরের তিনদিনের থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বক্তব্য, যথেষ্ট গুরুতর ঘটনা। স্বচ্ছভাবে এর তদন্ত হওয়া জরুরি।মৃত গোবিন্দ ঘোষ, মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের বাসিন্দা। সেনাছাউনিতে দিনমজুরের কাজ করতেন। প্রতিবেশী এক পুলিশকর্মীর বাড়িতে তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ গত ৩ আগস্ট তাকে আটক করে নিয়ে যায় বলেই অভিযোগ। জেল লকআপে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল। অভিযোগ, জেরার মাঝে বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। আর তার জেরে মৃত্যু হয় গোবিন্দের। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর পরেও দুঃসংবাদ পরিবারের লোকজনকে দিতে দেরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় আগেই ওসি অমিতকুমার ভকতকে সাসপেন্ড করা হয়।এবার নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বক্তব্য, যথেষ্ট গুরুতর ঘটনা। স্বচ্ছভাবে এর তদন্ত হওয়া জরুরি। ঘটনার আগে ও পরের তিনদিনের থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। এই মামলার তদন্তের অগ্রগতি দেখতে চায় আদালত। সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর জানাতে হবে আদালতে।

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

লকআপে যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের

আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : লকআপে যুবক মৃত্যুর ঘটনায় মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। ঘটনার আগে ও পরের তিনদিনের থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বক্তব্য, যথেষ্ট গুরুতর ঘটনা। স্বচ্ছভাবে এর তদন্ত হওয়া জরুরি।মৃত গোবিন্দ ঘোষ, মুর্শিদাবাদের নবগ্রামের বাসিন্দা। সেনাছাউনিতে দিনমজুরের কাজ করতেন। প্রতিবেশী এক পুলিশকর্মীর বাড়িতে তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ ওঠে। পুলিশ গত ৩ আগস্ট তাকে আটক করে নিয়ে যায় বলেই অভিযোগ। জেল লকআপে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল। অভিযোগ, জেরার মাঝে বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। আর তার জেরে মৃত্যু হয় গোবিন্দের। শুধু তাই নয়, মৃত্যুর পরেও দুঃসংবাদ পরিবারের লোকজনকে দিতে দেরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় আগেই ওসি অমিতকুমার ভকতকে সাসপেন্ড করা হয়।এবার নবগ্রাম থানার আইসি ও তদন্তকারী অফিসারের ভূমিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বক্তব্য, যথেষ্ট গুরুতর ঘটনা। স্বচ্ছভাবে এর তদন্ত হওয়া জরুরি। ঘটনার আগে ও পরের তিনদিনের থানার সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। এই মামলার তদন্তের অগ্রগতি দেখতে চায় আদালত। সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর জানাতে হবে আদালতে।