০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
০৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

নরওয়ের কাছে হেরে চোখের জলে বিদায় ব্রাজিলের

নিউজ ডেস্ক: এবারও পারলো না ব্রাজিল। ফুটবলের সঙ্গে ভাগ্য কিছুটা বিশ্বাস ঘতকতা করলো ব্রাজিলের সঙ্গে। ষষ্ঠবারের চেষ্টাতেও হেক্সার স্বপ্নপূরণ হল না ব্রাজিলের। ইউরোপীয় অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারলেন না ভিনিসিয়াস-নেইমাররা। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। বলা ভালো, আর্লিং হালান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল সাম্বা বয়েজ। ছন্নছাড়া ফুটবল, একাধিক সুযোগ নষ্ট, ঢিলেঢালা রক্ষণের খেসারত দিতে হল কার্লে আন্সেলোত্তির ছেলেদের। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়াম কান্নায় ভেঙে পড়লেন ব্রাজিল সমর্থকরা। মাঠে একে একে বিষণ্ণতায় ডুবতে দেখা গেল নেইমার-ভিনিসিয়াসদের। গ্যালারিতে যে সমর্থকরা কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত হলুদ পতাকার হিল্লোল তুলছিলেন, তাঁদের চোখেমুখে অবিশ্বাসের ছায়া। হবে না-ই বা কেন সেই ২০০২ সাল থেকে যে স্বপ্ন তাঁরা লালন-পালন করে আসছেন, আবারও সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। এবারেও হল না। হয়তো হওয়ার কথাও ছিল না। এই ব্রাজিলিয় দলকে কেউই ফেভারিট ধরছিলেন না। এই ব্রাজিলিয়ান দলের মধ্যে ব্রাজিলিয় ডিএনএ-ও ছিল না। না ছিল সেই শৈল্পিক সৌন্দর্য, আর না ছিল গতি। স্রেফ কার্লো আন্সেলোত্তির মগজাস্ত্র টেনে নিয়ে এসেছিল প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত।

হতাশাজনক ফুটবল খেলে বিদায়। এই ম্যাচে নামার আগে দু’টো পরিসংখ্যান তাড়া করছিল ব্রাজিলকে। এক নরওয়েকে কোনওদিন হারাতে না পারা। দুই, শেষ পাঁচ বিশ্বকাপেই ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের কাছে হারা। দু’টোর কোনওটিই বদলাতে পারলেন না নেইমাররা। ব্রাজিলের হতাশার দিনে স্টেডিয়ামে ফের ভাইকিং রো দেখালেন হালান্ড, মুসারা। প্রথমবার বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে নরওয়ে। ম্যাচের প্রথমার্ধের শুরুটা হয়েছিল একেবারে ঝড়ের মতো। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিল নরওয়ে। কিন্তু মার্টিন ওডেগার্ড অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়। যদিও এরপর পালটা সুযোগ আছে ব্রাজিলের কাছেও। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে মাথেউস কুনহাকে ফাউল করে বসলেন নরওয়ের ফুটবলার আয়ের। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারেজ। তাঁর শট অনবদ্য দক্ষতায় রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নরওয়ের কাছে হেরে চোখের জলে বিদায় ব্রাজিলের

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার

নিউজ ডেস্ক: এবারও পারলো না ব্রাজিল। ফুটবলের সঙ্গে ভাগ্য কিছুটা বিশ্বাস ঘতকতা করলো ব্রাজিলের সঙ্গে। ষষ্ঠবারের চেষ্টাতেও হেক্সার স্বপ্নপূরণ হল না ব্রাজিলের। ইউরোপীয় অভিশাপ কাটিয়ে উঠতে পারলেন না ভিনিসিয়াস-নেইমাররা। নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের প্রি কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। বলা ভালো, আর্লিং হালান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিল সাম্বা বয়েজ। ছন্নছাড়া ফুটবল, একাধিক সুযোগ নষ্ট, ঢিলেঢালা রক্ষণের খেসারত দিতে হল কার্লে আন্সেলোত্তির ছেলেদের। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই নিউইয়র্কের মেটলাইফ স্টেডিয়াম কান্নায় ভেঙে পড়লেন ব্রাজিল সমর্থকরা। মাঠে একে একে বিষণ্ণতায় ডুবতে দেখা গেল নেইমার-ভিনিসিয়াসদের। গ্যালারিতে যে সমর্থকরা কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত হলুদ পতাকার হিল্লোল তুলছিলেন, তাঁদের চোখেমুখে অবিশ্বাসের ছায়া। হবে না-ই বা কেন সেই ২০০২ সাল থেকে যে স্বপ্ন তাঁরা লালন-পালন করে আসছেন, আবারও সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। এবারেও হল না। হয়তো হওয়ার কথাও ছিল না। এই ব্রাজিলিয় দলকে কেউই ফেভারিট ধরছিলেন না। এই ব্রাজিলিয়ান দলের মধ্যে ব্রাজিলিয় ডিএনএ-ও ছিল না। না ছিল সেই শৈল্পিক সৌন্দর্য, আর না ছিল গতি। স্রেফ কার্লো আন্সেলোত্তির মগজাস্ত্র টেনে নিয়ে এসেছিল প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত।

হতাশাজনক ফুটবল খেলে বিদায়। এই ম্যাচে নামার আগে দু’টো পরিসংখ্যান তাড়া করছিল ব্রাজিলকে। এক নরওয়েকে কোনওদিন হারাতে না পারা। দুই, শেষ পাঁচ বিশ্বকাপেই ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের কাছে হারা। দু’টোর কোনওটিই বদলাতে পারলেন না নেইমাররা। ব্রাজিলের হতাশার দিনে স্টেডিয়ামে ফের ভাইকিং রো দেখালেন হালান্ড, মুসারা। প্রথমবার বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে নরওয়ে। ম্যাচের প্রথমার্ধের শুরুটা হয়েছিল একেবারে ঝড়ের মতো। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৪ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিল নরওয়ে। কিন্তু মার্টিন ওডেগার্ড অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়। যদিও এরপর পালটা সুযোগ আছে ব্রাজিলের কাছেও। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে মাথেউস কুনহাকে ফাউল করে বসলেন নরওয়ের ফুটবলার আয়ের। কিন্তু পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারেজ। তাঁর শট অনবদ্য দক্ষতায় রুখে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড।