২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

বিলকিস বানো মামলা: অভিযুক্তকে ওকালতি করতে দেখে বিস্ময় প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের

দেবজিৎ মুখার্জি: বিলকিস বানো মামলায় মুক্ত এক অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে আদালতে ওকালতি করছিল। আর তা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিলকিস বানো মামলার একটি শুনানিতে। ধর্ষণে অভিযুক্তদের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছিল একটি মামলা। রাধেশ্যাম শাহ নামে এক অভিযুক্তের আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা সওয়াল জবাবে সময় নিজের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিলকিস মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার পর এক বছর কেটে গেলেও, তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানান তিনি। পেশায় আইনজীবী হওয়ায়, ওকালতি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান ঋষি মালহোত্রা। এর আগে একটি মামলায় ওকালতি করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন। অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবিতে চক্ষু চড়ক গাছে ওঠার মতো জোগার বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার।

 

পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, আইন একটা মহৎ পেশা। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেও ওকালিত চালানোর ছাড়পত্র ঋষি মালহোত্রা কীভাবে পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ নিয়ে বার কাউন্সিলের জবাবদিহি চেয়ে পাঠিয়েছেন শীর্ষ আদালতের ওই বিচারক। দোষী সাব্যস্ত হওয়া সত্ত্বেও কেন ওকালতির ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই বলে সাফাই দিয়েছেন ওই আইনজীবী। অ্যাডভোকেটস অ্যাক্টের ২৪এ ধারায় বলা হয়েছে যে নৈতিক অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত কোনও ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত করা যাবেনা।

সর্বাধিক পাঠিত

বীরভূমে ৭ লক্ষ টাকার জাল লটারির টিকিট উদ্ধার, গ্রেফতার ১

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিলকিস বানো মামলা: অভিযুক্তকে ওকালতি করতে দেখে বিস্ময় প্রকাশ সুপ্রিম কোর্টের

আপডেট : ২৬ অগাস্ট ২০২৩, শনিবার

দেবজিৎ মুখার্জি: বিলকিস বানো মামলায় মুক্ত এক অভিযুক্ত বহাল তবিয়তে আদালতে ওকালতি করছিল। আর তা জেনে বিস্ময় প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে বিলকিস বানো মামলার একটি শুনানিতে। ধর্ষণে অভিযুক্তদের মুক্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছিল একটি মামলা। রাধেশ্যাম শাহ নামে এক অভিযুক্তের আইনজীবী ঋষি মালহোত্রা সওয়াল জবাবে সময় নিজের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিলকিস মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। মুক্তি পাওয়ার পর এক বছর কেটে গেলেও, তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি বলে জানান তিনি। পেশায় আইনজীবী হওয়ায়, ওকালতি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান ঋষি মালহোত্রা। এর আগে একটি মামলায় ওকালতি করেছিলেন বলেও জানিয়েছেন। অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবিতে চক্ষু চড়ক গাছে ওঠার মতো জোগার বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার।

 

পর্যবেক্ষণে তিনি বলেন, আইন একটা মহৎ পেশা। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেও ওকালিত চালানোর ছাড়পত্র ঋষি মালহোত্রা কীভাবে পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এ নিয়ে বার কাউন্সিলের জবাবদিহি চেয়ে পাঠিয়েছেন শীর্ষ আদালতের ওই বিচারক। দোষী সাব্যস্ত হওয়া সত্ত্বেও কেন ওকালতির ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণা নেই বলে সাফাই দিয়েছেন ওই আইনজীবী। অ্যাডভোকেটস অ্যাক্টের ২৪এ ধারায় বলা হয়েছে যে নৈতিক অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত কোনও ব্যক্তিকে আইনজীবী হিসাবে তালিকাভুক্ত করা যাবেনা।