১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাঙালিকে সম্মান জানাতে লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বাংলা সাইনবোর্ড

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র বাঙালিকে সম্মান জানাতেই লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বসলো বাংলায় লেখা সাইনবোর্ড।

ইংল্যান্ডের থাকা ৭০ শতাংশ বাঙালিই থাকেন হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে অঞ্চলে। শুধু স্টেশনের নামেই নয়, এই অঞ্চলের অনেক দোকানের নামেও রয়েছে বাংলা। সূত্রের খবর, লন্ডনে বসবাসকারী বাঙালিদের বহুদিনের দাবি মেনেই এই পরিবর্তন।

বাংলা ভাষা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করে আসা সংগঠন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন “বাংলায় যেখানে সবকিছু থেকে বাংলা সরিয়ে হিন্দি করে দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে লন্ডনে বাংলায় সাইনবোর্ড বাঙালির জন্য সুখানুভূতি তো বটে। লন্ডনে রেল স্টেশনে বাংলা সাইনবোর্ড বসছে আর এখানে রেলের টিকিটে বাংলা নয় হিন্দি লেখা থাকে। কলকাতা মেট্রোর কার্ডেও বাংলা ছিল না, হিন্দি ছিল। বহু লড়াইয়ের পর এখন বাংলা হয়েছে। লন্ডনে বাংলা করছে, আর বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে কলকাতা মেট্রোতে আরপিএফ হিন্দিভাষী। টিকিট কাউন্টারে এমন লোক বসে যারা বাংলা জানে না, হিন্দিতে কথা বলে। এটাই বাস্তবতা। লন্ডন বাংলা লিখছে আর আমার দেশে বাংলা নয় হিন্দিরই প্রাধান্য। এই নিয়ে বাঙালির প্রতিবাদী হওয়া উচিত।”

সর্বাধিক পাঠিত

ফুড ইন্সপেক্টরহীন ময়নাগুড়ি পুরসভা, খাদ্য সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাঙালিকে সম্মান জানাতে লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বাংলা সাইনবোর্ড

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র বাঙালিকে সম্মান জানাতেই লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে বসলো বাংলায় লেখা সাইনবোর্ড।

ইংল্যান্ডের থাকা ৭০ শতাংশ বাঙালিই থাকেন হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে অঞ্চলে। শুধু স্টেশনের নামেই নয়, এই অঞ্চলের অনেক দোকানের নামেও রয়েছে বাংলা। সূত্রের খবর, লন্ডনে বসবাসকারী বাঙালিদের বহুদিনের দাবি মেনেই এই পরিবর্তন।

বাংলা ভাষা নিয়ে বহুদিন ধরে কাজ করে আসা সংগঠন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন “বাংলায় যেখানে সবকিছু থেকে বাংলা সরিয়ে হিন্দি করে দেওয়া হচ্ছে, সেই প্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে লন্ডনে বাংলায় সাইনবোর্ড বাঙালির জন্য সুখানুভূতি তো বটে। লন্ডনে রেল স্টেশনে বাংলা সাইনবোর্ড বসছে আর এখানে রেলের টিকিটে বাংলা নয় হিন্দি লেখা থাকে। কলকাতা মেট্রোর কার্ডেও বাংলা ছিল না, হিন্দি ছিল। বহু লড়াইয়ের পর এখন বাংলা হয়েছে। লন্ডনে বাংলা করছে, আর বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে কলকাতা মেট্রোতে আরপিএফ হিন্দিভাষী। টিকিট কাউন্টারে এমন লোক বসে যারা বাংলা জানে না, হিন্দিতে কথা বলে। এটাই বাস্তবতা। লন্ডন বাংলা লিখছে আর আমার দেশে বাংলা নয় হিন্দিরই প্রাধান্য। এই নিয়ে বাঙালির প্রতিবাদী হওয়া উচিত।”