১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

বধর্মানে জেলা সম্মেলনে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এক হয়ে চলার ডাক দিলেন মহঃ কামরুজ্জামান

আজিজুর রহমান, বর্ধমান : শনিবার পূর্ব বর্ধমানের দইচাঁদা এলাকায় অরন্য নামক একটি সারা বাংলা সংখ্যা লঘু যুব ফেডারেশনের জেলা সম্মেলন করা হল। শনিবার দুপুরে ওই মঞ্চ থেকে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এক হয়ে চলার ডাক দিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান। এদিনে সম্মেলনে, গলসি, রায়না, বর্ধমান, খন্ডঘোষ, পূর্বস্থলী, মেমারী, আউসগ্রাম, সহ বিভিন্ন এলাকার ব্লক প্রতিনিধিরা হাজির হয়েছিলেন। উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান, রাজ্যছকমিটির সদস্য আলি আকবর, রাজ্য কমিটির সহ সম্পাদক মহামাদুল হাসাল, পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ সভাপতি, আরজাদ হোসেন, জেলা সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, খন্ডঘোষ ইমাম সংগঠন সভাপতি হাপেজ সদরুল সাহেব, এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী আলহাজ্বউদ্দিন, সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, লালন সেখ সহ প্রমুখ। জানা গেছে কয়েকদিন পরই সংগঠনের রাজ্য সম্মেলনে হবে পূর্ব মেদনীপুরের দীঘাতে। সেই নিয়েও এদিন বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী বাংলা দেশে সংখ্যালঘুদের মন্দিরে ভাংচুর করেছে একদল প্ররচিত বর্বর মানুষ। তার সাথে সাথে আমাদের দেশের ত্রিপুরাতে ১৬ টি মসজিদে হামলা চালিয়েছে কিছু বর্বর মানুষ। আমাদের কাছে মন্দির যেমন সম্মানের মসজিদও তেমনই সম্মানের জিনিস। তার দাবী বাংলা দেশে ওই হামলা নিয়ে সে দেশের প্রধান মন্ত্রী সেখ হাসিনা মুখ খুললেও আমাদের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখে কুলুপ এেঁটে আছেন। ফলে ত্রিপুরার সংখ্যালঘু মুসলমানরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। তিনি নিরব থেকে অপরাধ দমনের জায়গায় রসদ যোগাচ্ছেন। তিনি বলেন দেশের প্রধান মন্ত্রী মুখ বুজে থাকলেও আমরা গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে তার প্রতিবাদ করছি। তিনি জানিয়েছেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তাদের কন্ঠ নিপিড়িত সংখ্যালঘু মানুষের কন্ঠ। যেখানে কোন ধর্মের বা বর্নের গন্ধ নেই। তবে বাংলাদেশের সরকারের মত ভারত সরকার বা ত্রিপুরার রাজ্য সরকার যদি ওই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেই তা হলে আগামী দিনে তারা গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে কোলকাতার রাজপথে নেমে আন্দোলন করবেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বধর্মানে জেলা সম্মেলনে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এক হয়ে চলার ডাক দিলেন মহঃ কামরুজ্জামান

আপডেট : ৩০ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

আজিজুর রহমান, বর্ধমান : শনিবার পূর্ব বর্ধমানের দইচাঁদা এলাকায় অরন্য নামক একটি সারা বাংলা সংখ্যা লঘু যুব ফেডারেশনের জেলা সম্মেলন করা হল। শনিবার দুপুরে ওই মঞ্চ থেকে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এক হয়ে চলার ডাক দিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান। এদিনে সম্মেলনে, গলসি, রায়না, বর্ধমান, খন্ডঘোষ, পূর্বস্থলী, মেমারী, আউসগ্রাম, সহ বিভিন্ন এলাকার ব্লক প্রতিনিধিরা হাজির হয়েছিলেন। উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান, রাজ্যছকমিটির সদস্য আলি আকবর, রাজ্য কমিটির সহ সম্পাদক মহামাদুল হাসাল, পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ সভাপতি, আরজাদ হোসেন, জেলা সম্পাদক সফিকুল ইসলাম, খন্ডঘোষ ইমাম সংগঠন সভাপতি হাপেজ সদরুল সাহেব, এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী আলহাজ্বউদ্দিন, সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, লালন সেখ সহ প্রমুখ। জানা গেছে কয়েকদিন পরই সংগঠনের রাজ্য সম্মেলনে হবে পূর্ব মেদনীপুরের দীঘাতে। সেই নিয়েও এদিন বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মহঃ কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী বাংলা দেশে সংখ্যালঘুদের মন্দিরে ভাংচুর করেছে একদল প্ররচিত বর্বর মানুষ। তার সাথে সাথে আমাদের দেশের ত্রিপুরাতে ১৬ টি মসজিদে হামলা চালিয়েছে কিছু বর্বর মানুষ। আমাদের কাছে মন্দির যেমন সম্মানের মসজিদও তেমনই সম্মানের জিনিস। তার দাবী বাংলা দেশে ওই হামলা নিয়ে সে দেশের প্রধান মন্ত্রী সেখ হাসিনা মুখ খুললেও আমাদের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মুখে কুলুপ এেঁটে আছেন। ফলে ত্রিপুরার সংখ্যালঘু মুসলমানরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। তিনি নিরব থেকে অপরাধ দমনের জায়গায় রসদ যোগাচ্ছেন। তিনি বলেন দেশের প্রধান মন্ত্রী মুখ বুজে থাকলেও আমরা গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে তার প্রতিবাদ করছি। তিনি জানিয়েছেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন কোন রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তাদের কন্ঠ নিপিড়িত সংখ্যালঘু মানুষের কন্ঠ। যেখানে কোন ধর্মের বা বর্নের গন্ধ নেই। তবে বাংলাদেশের সরকারের মত ভারত সরকার বা ত্রিপুরার রাজ্য সরকার যদি ওই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেই তা হলে আগামী দিনে তারা গনতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে কোলকাতার রাজপথে নেমে আন্দোলন করবেন।