১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

জওয়ানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, গ্রামবাসীদের উপর বেধরক মারধর করার

সংবাদদাতা, হবিবপুর: মালদার হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কলাইবাড়ি গ্রামে।এই ঘটনায় গুরুতর জখম ৪ জন গ্রামবাসী। আহতদের মধ্যে দুইজন বৃদ্ধ। আহত ৪ জনের চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এদিকে সকালে পুরো বিষয়টি নিয়ে শতাধিক গ্রামবাসীরা গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগ পত্র হবিবপুর থানা এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের নাম মলিন সরকার (৬৫), ভাসা সরকার (৭০), সঞ্জয় সরকার (৩৫) এবং আনন্দ সরকার (৪০)। স্থানীয় গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেন। এদিকে কলায়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিএসএফের কয়েকজন জওয়ানদের আচরণের কারণে রাত আট টার পরে গ্রামের রাস্তা দিয়ে সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারে না।

এছাড়াও তার কাটার বেড়ার উপরে চাষবাস করতে দেওয়া হচ্ছে না। আহত গ্রামবাসীদের অভিযোগ , সন্ধ্যা নামতেই বিএসএফের কয়েকজন কর্মী নানাভাবে গ্রামবাসীদের হেনস্তা এবং হয়রানি করছে। এই ভাবে অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছিল গ্রামবাসীদের। আর তারই প্রতিবাদে এদিন সকালে গ্রামবাসিরা রাস্তায় গাছ ফেলে বিএসএফের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানানো হয়। এরই মধ্যে দুই থেকে তিন জন বিএসএফ জওয়ান হঠাৎ করে লাঠি, বাঁশ নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। মারধর করা হয়। এর ফলে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এবিষয়ে বিএসএফের কর্তারা কোনো মন্তব্য করতে চাইনি।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জওয়ানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল, গ্রামবাসীদের উপর বেধরক মারধর করার

আপডেট : ৩ মে ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদদাতা, হবিবপুর: মালদার হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কলাইবাড়ি গ্রামে।এই ঘটনায় গুরুতর জখম ৪ জন গ্রামবাসী। আহতদের মধ্যে দুইজন বৃদ্ধ। আহত ৪ জনের চিকিৎসা চলছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এদিকে সকালে পুরো বিষয়টি নিয়ে শতাধিক গ্রামবাসীরা গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগ পত্র হবিবপুর থানা এবং ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের নাম মলিন সরকার (৬৫), ভাসা সরকার (৭০), সঞ্জয় সরকার (৩৫) এবং আনন্দ সরকার (৪০)। স্থানীয় গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেন। এদিকে কলায়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিএসএফের কয়েকজন জওয়ানদের আচরণের কারণে রাত আট টার পরে গ্রামের রাস্তা দিয়ে সাধারন মানুষ চলাচল করতে পারে না।

এছাড়াও তার কাটার বেড়ার উপরে চাষবাস করতে দেওয়া হচ্ছে না। আহত গ্রামবাসীদের অভিযোগ , সন্ধ্যা নামতেই বিএসএফের কয়েকজন কর্মী নানাভাবে গ্রামবাসীদের হেনস্তা এবং হয়রানি করছে। এই ভাবে অত্যাচার সহ্য করতে হচ্ছিল গ্রামবাসীদের। আর তারই প্রতিবাদে এদিন সকালে গ্রামবাসিরা রাস্তায় গাছ ফেলে বিএসএফের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানানো হয়। এরই মধ্যে দুই থেকে তিন জন বিএসএফ জওয়ান হঠাৎ করে লাঠি, বাঁশ নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। মারধর করা হয়। এর ফলে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এবিষয়ে বিএসএফের কর্তারা কোনো মন্তব্য করতে চাইনি।