০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জাভেদ খান, শিউলি সাহা কি তৃণমূল থেকে মুখ ঘোরাচ্ছে?

দেবজিৎ মুখার্জী, কলকাতা: তৃণমূলের ফাটল বড়োই হয়ে চলেছে। একের পর এক তৃণমূল নেতা বিদ্রোহীদের দলে নাম লিখিয়েছে। এবার জাভেদ খান ও শিউলি সাহা। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। সেই নিয়ে দলের মধ্যেই অস্বস্তি বেড়েছে। এবার সেই অস্বস্তি আরও বাড়ালেন তৃণমূলের বিধায়ক জাভেদ খান, শিউলি সাহারা! কলকাতার এমএলএ হস্টেলে ঋতব্রত ও সন্দীপনের সঙ্গে শিউলি সাহাদের বৈঠক হয়েছে বলে খবর! এদিন রাতে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন শিউলি নিজেই। তিনি বলেছেন, “বিধায়ক বহিষ্কৃত নয়। দল থেকে বহিষ্কৃত।” এমএলএ হস্টেলে তিনি ঘর দেখতে এসেছিলেন, সেই কথা বলে বৈঠকের জল্পনা উসকে রাখলেন। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক আগামী কাল, মঙ্গলবারই স্পিকারের কাছে চিঠি দিতে পারেন! ঋতব্রতকে দলনেতা করে ‘প্রকৃত ‘তৃণমূল বলে স্পিকারের কাছে ওই চিঠি যাবে বলে সূত্রের খবর। রাজনীতির অন্দরের খবর, ঋতব্রত-সন্দীপন বহিষ্কারের পরেই শুরু হয়ে যায় জল মাপা। এদিন বাইপাসের ধারের একটি ঘরে প্রথম বৈঠক হয়, ফের সন্ধেয় নতুন করে এমএলএ হস্টেলের ঘরে বৈঠক হয়েছে! সেই বৈঠকে মালদহ, মুর্শিদাবাদের বিধায়করা-সহ জাভেদ খান, শিউলি সাহা উপস্থিত ছিলেন! সব মিলিয়ে মোট ১৫-১৬ জন বিধায়ক ছিলেন বলে সূত্রের খবর!

আগামী দু-একদিনের মধ্যে বিধানসভার স্পিকারকে তাঁরা চিঠি দিতে পরান। সেই কথাও শোনা গিয়েছে। তাহলে কি তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যা আরও বাড়ছে? এদিন এমএলএ হস্টেল থেকে বেরনোর সময় শিউলি বলেন, “হস্টেলে নিজের ঘর দেখতে এসেছিলাম। দেখলাম, ঋতব্রত-সন্দীপনরা বসে। একটু চা খেয়ে গেলাম।”

রাজনগরে দুর্ঘটনায় মৃত কংগ্রেস অঞ্চল সভাপতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জাভেদ খান, শিউলি সাহা কি তৃণমূল থেকে মুখ ঘোরাচ্ছে?

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জী, কলকাতা: তৃণমূলের ফাটল বড়োই হয়ে চলেছে। একের পর এক তৃণমূল নেতা বিদ্রোহীদের দলে নাম লিখিয়েছে। এবার জাভেদ খান ও শিউলি সাহা। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। সেই নিয়ে দলের মধ্যেই অস্বস্তি বেড়েছে। এবার সেই অস্বস্তি আরও বাড়ালেন তৃণমূলের বিধায়ক জাভেদ খান, শিউলি সাহারা! কলকাতার এমএলএ হস্টেলে ঋতব্রত ও সন্দীপনের সঙ্গে শিউলি সাহাদের বৈঠক হয়েছে বলে খবর! এদিন রাতে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন শিউলি নিজেই। তিনি বলেছেন, “বিধায়ক বহিষ্কৃত নয়। দল থেকে বহিষ্কৃত।” এমএলএ হস্টেলে তিনি ঘর দেখতে এসেছিলেন, সেই কথা বলে বৈঠকের জল্পনা উসকে রাখলেন। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক আগামী কাল, মঙ্গলবারই স্পিকারের কাছে চিঠি দিতে পারেন! ঋতব্রতকে দলনেতা করে ‘প্রকৃত ‘তৃণমূল বলে স্পিকারের কাছে ওই চিঠি যাবে বলে সূত্রের খবর। রাজনীতির অন্দরের খবর, ঋতব্রত-সন্দীপন বহিষ্কারের পরেই শুরু হয়ে যায় জল মাপা। এদিন বাইপাসের ধারের একটি ঘরে প্রথম বৈঠক হয়, ফের সন্ধেয় নতুন করে এমএলএ হস্টেলের ঘরে বৈঠক হয়েছে! সেই বৈঠকে মালদহ, মুর্শিদাবাদের বিধায়করা-সহ জাভেদ খান, শিউলি সাহা উপস্থিত ছিলেন! সব মিলিয়ে মোট ১৫-১৬ জন বিধায়ক ছিলেন বলে সূত্রের খবর!

আগামী দু-একদিনের মধ্যে বিধানসভার স্পিকারকে তাঁরা চিঠি দিতে পরান। সেই কথাও শোনা গিয়েছে। তাহলে কি তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহী বিধায়কদের সংখ্যা আরও বাড়ছে? এদিন এমএলএ হস্টেল থেকে বেরনোর সময় শিউলি বলেন, “হস্টেলে নিজের ঘর দেখতে এসেছিলাম। দেখলাম, ঋতব্রত-সন্দীপনরা বসে। একটু চা খেয়ে গেলাম।”