১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

অনুব্রতর কার্যালয় একদম ফাঁকা

আনজুম মুনির, বীরভূম: ভোটে ভরাডুবির পরও নিয়ম করেই তৃণমূল কার্যালয়ে আসতেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর ঘরবন্দি তিনি। বোলপুরের চণ্ডিদাস রোডের জেলার দলীয় কার্যালয় কার্যত ফাঁকা।

এবার বীরভূমে বিধানসভা নির্বাচন অনুব্রত মণ্ডল ও জেলা কোর কমিটির রণকৌশল মেনেই পরিচালিত হয়েছিল। কিন্তু ফলাফল প্রত্যাশামাফিক হয়নি। জেলার ১১টি বিধানসভার মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর পরও নিয়মিত যেতেন দলীয় কার্যালয়ে। বিকেল সাড়ে চারটের পর এসে ঘণ্টা দুয়েক থাকতেন। তারপর বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পর আর পার্টি অফিসমুখো হননি তিনি।

ফল ঘোষণার পর থেকে পার্টি অফিসে চৌকাঠ মাড়াননি কোর কমিটির কোনও সদস্য। দলীয় কর্মীদেরও দেখা নেই। ফলে নিচুপট্টি এলাকার জেলা তৃণমূল কার্যালয় এখন প্রায় কর্মী শূন্য। দলীয় কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন কর্মীর কথায়, “৪ মে গণনার দিন সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় কমতে শুরু করে। তারপর থেকে আর সেভাবে কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা দেখা যায়নি। বিশেষ করে বোলপুর শহরে দল পিছিয়ে পড়ায় হতাশা আরও বেড়েছে।”

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অনুব্রতর কার্যালয় একদম ফাঁকা

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, বীরভূম: ভোটে ভরাডুবির পরও নিয়ম করেই তৃণমূল কার্যালয়ে আসতেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পর ঘরবন্দি তিনি। বোলপুরের চণ্ডিদাস রোডের জেলার দলীয় কার্যালয় কার্যত ফাঁকা।

এবার বীরভূমে বিধানসভা নির্বাচন অনুব্রত মণ্ডল ও জেলা কোর কমিটির রণকৌশল মেনেই পরিচালিত হয়েছিল। কিন্তু ফলাফল প্রত্যাশামাফিক হয়নি। জেলার ১১টি বিধানসভার মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল ভোটের রেজাল্ট বেরোনোর পরও নিয়মিত যেতেন দলীয় কার্যালয়ে। বিকেল সাড়ে চারটের পর এসে ঘণ্টা দুয়েক থাকতেন। তারপর বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পর আর পার্টি অফিসমুখো হননি তিনি।

ফল ঘোষণার পর থেকে পার্টি অফিসে চৌকাঠ মাড়াননি কোর কমিটির কোনও সদস্য। দলীয় কর্মীদেরও দেখা নেই। ফলে নিচুপট্টি এলাকার জেলা তৃণমূল কার্যালয় এখন প্রায় কর্মী শূন্য। দলীয় কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন কর্মীর কথায়, “৪ মে গণনার দিন সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে উপচে পড়া ভিড় ছিল। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় কমতে শুরু করে। তারপর থেকে আর সেভাবে কর্মী-সমর্থকদের আনাগোনা দেখা যায়নি। বিশেষ করে বোলপুর শহরে দল পিছিয়ে পড়ায় হতাশা আরও বেড়েছে।”