১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

আংশিক জলমগ্ন স্কুল, পরীক্ষা বন্ধ রেখে বাড়ি চলে গেলেন শিক্ষকরা

আজিজুর রহমান,গলসি : বৃষ্টির জেরে আংশিক জলমগ্ন গলসির পুরসা হাই স্কুলের চত্বর। বন্ধ রাখা হল স্কুলের ইউনিট টেস্ট পরীক্ষা। যার জেরে চরম ভোগান্তির স্মিকার স্কুলের শতশত পূড়ুয়া। তবে আগামী ৯ ই আগস্ট ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানালেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেখ আজহারউদ্দিন।

গ্রামবাসী নাজমুল জামাদার বলেন, স্কুলে জল ঢুকেছে। খবর পেয়ে আমরা গ্রামের মানুষ ছুটে আসি। স্কুলের ও গ্রামের সুবিধার্থে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষেকে জানিয়ে নিকাশী ব্যবস্থা ঠিক করা শুরু করেছি। এদিকে স্কুলে এসে দেখি সব শিক্ষকরা বাড়ি চলে গেছে। টিআইসিও দুটো নাগাদ স্কুল বন্ধ করে দিয়ে বেড়িয়ে পরেছেন। অথচ স্কুলের রুমের ভিতরে জল ঢুকেনি। শুধুমাত্র মাঠ জলমগ্ন হয়েছিল। পরীক্ষা দেওয়া যেত। সেটা না করে তারা নিজেদের মতো পরীক্ষা বন্ধ করে সবাই বাড়ি চলে গেছে। শিক্ষকদের কাজ দেখে আমরা মর্মাহত। আমি এসআই কে ফোন করে অভিযোগ করেছি। দেখি তিনি কি ব্যবস্থা নেন।

স্থানীয়রা জানান, শুধু স্কুল নয় গোটা গ্রামের জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। যার জন্য ক্ষোভ জাতীয় অবরোধ করতে চলে আসেন গ্রামবাসীদের একঅংশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তারা জানায় আগে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দক্ষিণে দিকের নয়নজুলিতে সেচের ও গ্রামের জল নিকাশী হত। বর্তমানে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষ রাস্তার পাশে উঁচু করে কংক্রিটের নালা তৈরী করায় জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। এরপরই জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষের ঠিকা সংস্থা এসে নয়নজুলি পরিস্কার করতে উদ্দ্যোগ নেয়।

এদিকে স্কুল বন্ধ নিয়ে গলসি পশ্চিম চক্রের স্কুল পরিদর্শক দেব কুমার ভক্ত বলেন, একজন গ্রামবাসী আমায় ফোন করেছিলেন। আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফোন করি। উনি বলেন স্কুল খোলা আছে তবে আমি বোর্ড অফিসের কাজে বাইরে আছি। পরীক্ষা বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ঠিক কি হয়েছে আমি খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।

সর্বাধিক পাঠিত

মেমারীতে ছবির প্রিমিয়ার শোতে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আংশিক জলমগ্ন স্কুল, পরীক্ষা বন্ধ রেখে বাড়ি চলে গেলেন শিক্ষকরা

আপডেট : ২ অগাস্ট ২০২৪, শুক্রবার

আজিজুর রহমান,গলসি : বৃষ্টির জেরে আংশিক জলমগ্ন গলসির পুরসা হাই স্কুলের চত্বর। বন্ধ রাখা হল স্কুলের ইউনিট টেস্ট পরীক্ষা। যার জেরে চরম ভোগান্তির স্মিকার স্কুলের শতশত পূড়ুয়া। তবে আগামী ৯ ই আগস্ট ওই পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানালেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সেখ আজহারউদ্দিন।

গ্রামবাসী নাজমুল জামাদার বলেন, স্কুলে জল ঢুকেছে। খবর পেয়ে আমরা গ্রামের মানুষ ছুটে আসি। স্কুলের ও গ্রামের সুবিধার্থে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষেকে জানিয়ে নিকাশী ব্যবস্থা ঠিক করা শুরু করেছি। এদিকে স্কুলে এসে দেখি সব শিক্ষকরা বাড়ি চলে গেছে। টিআইসিও দুটো নাগাদ স্কুল বন্ধ করে দিয়ে বেড়িয়ে পরেছেন। অথচ স্কুলের রুমের ভিতরে জল ঢুকেনি। শুধুমাত্র মাঠ জলমগ্ন হয়েছিল। পরীক্ষা দেওয়া যেত। সেটা না করে তারা নিজেদের মতো পরীক্ষা বন্ধ করে সবাই বাড়ি চলে গেছে। শিক্ষকদের কাজ দেখে আমরা মর্মাহত। আমি এসআই কে ফোন করে অভিযোগ করেছি। দেখি তিনি কি ব্যবস্থা নেন।

স্থানীয়রা জানান, শুধু স্কুল নয় গোটা গ্রামের জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। যার জন্য ক্ষোভ জাতীয় অবরোধ করতে চলে আসেন গ্রামবাসীদের একঅংশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তারা জানায় আগে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের দক্ষিণে দিকের নয়নজুলিতে সেচের ও গ্রামের জল নিকাশী হত। বর্তমানে জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষ রাস্তার পাশে উঁচু করে কংক্রিটের নালা তৈরী করায় জল নিকাশী বন্ধ হয়ে গেছে। এরপরই জাতীয় সড়ক কতৃপক্ষের ঠিকা সংস্থা এসে নয়নজুলি পরিস্কার করতে উদ্দ্যোগ নেয়।

এদিকে স্কুল বন্ধ নিয়ে গলসি পশ্চিম চক্রের স্কুল পরিদর্শক দেব কুমার ভক্ত বলেন, একজন গ্রামবাসী আমায় ফোন করেছিলেন। আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ফোন করি। উনি বলেন স্কুল খোলা আছে তবে আমি বোর্ড অফিসের কাজে বাইরে আছি। পরীক্ষা বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ঠিক কি হয়েছে আমি খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।