১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৭ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩

তিন ধর্মে তিনবার বিয়ে করেছেন অমর্ত্য সেন, বলেন দিলীপ ঘোষ

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রতীচী বিতর্ক এখনো চাপা পড়ে নি। এরমধ্যে এবার লাভ জিহাদ। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে সরাসরি বিধলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অমর্ত্য সেন কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “উনি তিনবার ৩ ধর্মে বিয়ে করেছেন। তাই উনার এই বিষয়ে মন্তব্য করা মানায় না।

ঘটনা হল বস্টম থেকে সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেছিলেন, “লাভের মধ্যে জিহাদ থাকতে পারে না। জীবন যাপনের অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। যে কেউ নিজের ধর্মকে বদলে অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারেন। সেটা সংবিধান স্বীকৃত। তাই ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন অসাংবিধানিক।” এরই প্রেক্ষিতে

ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ উনি ৩বার, তিন ধর্মে বিয়ে করেছিলেন। তার বলার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। আমফানের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ান না। অতিমারীর পরিস্থিতিতে ওকে দেখা যায় না। সেই ব্যক্তির নীতিকথা আমরা শুনতে চাই না। যারাই ওনার কথা শুনেছেন, তারাই ডুবেছে। আমরা ডুবতে চাই না।

শান্তিনিকেতনের জমি বিতর্কের প্রসঙ্গ এদিন শোনা যায় দিলীপ ঘোষের মুখে। প্রতীচী ইস্যুতে নোবেল জয়ীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার চিঠির উত্তরে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ,”কে জানে কার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দুজনই দুজনকে আঁকড়ে বাঁচার চেষ্টা করছেন। এটা বেশিদিন চলতে পারেনা। মানুষ ওদের পাশ থেকে সরে গিয়েছে।এখন অন্য ইস্যুকে হাতিয়ার করে বাঁচার চেষ্টা করছেন।

সর্বাধিক পাঠিত

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তিন ধর্মে তিনবার বিয়ে করেছেন অমর্ত্য সেন, বলেন দিলীপ ঘোষ

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রতীচী বিতর্ক এখনো চাপা পড়ে নি। এরমধ্যে এবার লাভ জিহাদ। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে সরাসরি বিধলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অমর্ত্য সেন কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “উনি তিনবার ৩ ধর্মে বিয়ে করেছেন। তাই উনার এই বিষয়ে মন্তব্য করা মানায় না।

ঘটনা হল বস্টম থেকে সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন অমর্ত্য সেন। তিনি বলেছিলেন, “লাভের মধ্যে জিহাদ থাকতে পারে না। জীবন যাপনের অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। যে কেউ নিজের ধর্মকে বদলে অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারেন। সেটা সংবিধান স্বীকৃত। তাই ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন অসাংবিধানিক।” এরই প্রেক্ষিতে

ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কিছু বলতে চাই না। কারণ উনি ৩বার, তিন ধর্মে বিয়ে করেছিলেন। তার বলার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। আমফানের দুর্গতদের পাশে দাঁড়ান না। অতিমারীর পরিস্থিতিতে ওকে দেখা যায় না। সেই ব্যক্তির নীতিকথা আমরা শুনতে চাই না। যারাই ওনার কথা শুনেছেন, তারাই ডুবেছে। আমরা ডুবতে চাই না।

শান্তিনিকেতনের জমি বিতর্কের প্রসঙ্গ এদিন শোনা যায় দিলীপ ঘোষের মুখে। প্রতীচী ইস্যুতে নোবেল জয়ীর পাশে দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার চিঠির উত্তরে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ,”কে জানে কার পাশে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দুজনই দুজনকে আঁকড়ে বাঁচার চেষ্টা করছেন। এটা বেশিদিন চলতে পারেনা। মানুষ ওদের পাশ থেকে সরে গিয়েছে।এখন অন্য ইস্যুকে হাতিয়ার করে বাঁচার চেষ্টা করছেন।