১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
১৪ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ফ্রান্সের জের কাটতে না কাটতে চিনের সরকারি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হল মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর আপত্তিকর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের পর ফ্রান্স বিরোধী বিক্ষোভ চলছে সর্বত্র। বিশ্বের বহু দেশ ইতিমধ্যেই ফরাসি বয়কট পণ্যের ডাক দিয়েছে। এরই মাঝে চিনের সরকারি টেলিভিশন নেটওয়ার্কে সম্প্রচারিত হল প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর ব্যঙ্গচিত্র। ভিডিয়োটি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড় উঠেছে। কীভাবে এবং কোথায় অবমাননা করা হয়েছে ইসলামকে? উইঘুর অধিকার নিয়ে কর্মরত আর্সালান হিদায়াত জানান তাং রাজবংশের আমলে এক আরব রাজদূত চিন সফরে এসে মহানবী সা.-এর একটি ছবি উপহার দিচ্ছেন এবং বলছেন ইনিই আমাদের সৃষ্টিকর্তা। বিতর্কিত দৃশ্যটি সম্প্রচার করেছে চিনের সিসিটিভ নিউজ নেটওয়ার্কের ক্যারোল অফ ঝেঙ্গুয়ান টিভি শো।

 

গোটা ঘটনা বিশ্বের নজরে আসতেই সমালাচনার মুখে পড়েছে চিন সরকার। একই সঙ্গে উঠছে অনেক প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সে যে ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে এই ঘটনার যোগসূত্রও খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে। বলছেন ফ্রান্সের থেকেও খারাপ করেছে চিন। ফ্রান্স অন্তত নিজেদের টিভিতে প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর অবমাননা করার দুঃসাহস দেখাতে পারেনি। কিন্তু চিন সরকারিভাবেই মুসলিমদের ধর্মীয় আবেগে আঘাত করেছে ইসলামকে অবমাননা করেছে। স্বভাবতই চিনের ইসলাম বিরোধী অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা। তাঁরা বলছেন ফ্রান্সে এত বড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও সিসিটিভি নিউজ বা চিন সরকারের অনুশোচনা নেই। এ নিয়ে মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাওয়া তো অনেক দূর কি বাত সেই ভিডিয়ো এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফ্রান্সের জের কাটতে না কাটতে চিনের সরকারি টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হল মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র

আপডেট : ৩ নভেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর আপত্তিকর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের পর ফ্রান্স বিরোধী বিক্ষোভ চলছে সর্বত্র। বিশ্বের বহু দেশ ইতিমধ্যেই ফরাসি বয়কট পণ্যের ডাক দিয়েছে। এরই মাঝে চিনের সরকারি টেলিভিশন নেটওয়ার্কে সম্প্রচারিত হল প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর ব্যঙ্গচিত্র। ভিডিয়োটি প্রকাশ পাওয়ার পর পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড় উঠেছে। কীভাবে এবং কোথায় অবমাননা করা হয়েছে ইসলামকে? উইঘুর অধিকার নিয়ে কর্মরত আর্সালান হিদায়াত জানান তাং রাজবংশের আমলে এক আরব রাজদূত চিন সফরে এসে মহানবী সা.-এর একটি ছবি উপহার দিচ্ছেন এবং বলছেন ইনিই আমাদের সৃষ্টিকর্তা। বিতর্কিত দৃশ্যটি সম্প্রচার করেছে চিনের সিসিটিভ নিউজ নেটওয়ার্কের ক্যারোল অফ ঝেঙ্গুয়ান টিভি শো।

 

গোটা ঘটনা বিশ্বের নজরে আসতেই সমালাচনার মুখে পড়েছে চিন সরকার। একই সঙ্গে উঠছে অনেক প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সে যে ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে এই ঘটনার যোগসূত্রও খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে। বলছেন ফ্রান্সের থেকেও খারাপ করেছে চিন। ফ্রান্স অন্তত নিজেদের টিভিতে প্রফেট মুহাম্মদ সা.-এর অবমাননা করার দুঃসাহস দেখাতে পারেনি। কিন্তু চিন সরকারিভাবেই মুসলিমদের ধর্মীয় আবেগে আঘাত করেছে ইসলামকে অবমাননা করেছে। স্বভাবতই চিনের ইসলাম বিরোধী অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা। তাঁরা বলছেন ফ্রান্সে এত বড় ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও সিসিটিভি নিউজ বা চিন সরকারের অনুশোচনা নেই। এ নিয়ে মুসলিমদের কাছে ক্ষমা চাওয়া তো অনেক দূর কি বাত সেই ভিডিয়ো এখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে।