০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মাদ্রাসার পর কি নজড় মসজিদে, উদ্বিগ্ন বাড়ছে মুসলিম সমাজে

নিজস্ব সংবাদদাতা: সম্প্রতি রাজ্যের বেসরকারী খারেজি মাদ্রাসাগুলির প্রতিষ্টাকাল, রেজিষ্ট্রেশণ আছে কিনা, ছাত্র বা ছাত্রীর সংখ্যা কত, ফরম্যাট আকারে তার তথ্য সংগ্রহ করেছে সরকার। পুলিশকে সামনে রেখে রাজ্যের থানাগুলি নিজ নিজ এলাকার মাদ্রাসা থেকে লিখিত আকারে তথ্য নিয়েছে, সেই সব মাদ্রাসার বিষয়ে কিরকম ব্যাবস্থা নেবে বা সরকার কি ভাবছে, সেটা জানার অপেক্ষায় রাজ্যবাসী। মাদ্রাসাগুলির তথ্য সংগ্রহের পর এবার কি মসজিদ সহ কবরস্থান, ঈদগাহ,মাজারর, খানকাহ শরীফ সহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করবে, বিশেষ ভাবে কি কিছু ভারছে সরকার? সেই নিয়ে উদ্বীগ্ন রাজ্যের মাদ্রাসার পাশাপাশি মসজিদ কতৃপক্ষগুলিও।

যদিও সরকারের কাছে রাজ্যের সমস্ত মসজিদ সহ কবরস্থান, পীরোত্তোর সম্পত্তি সহ সবকিছু তথ্য সরকারের ভান্ডারে রয়ে গেছে, নতুন ওয়াকফ আইন লাগু হওয়ার পর ওয়াকফ সম্পত্তি উমিদ পোর্টালে নথিভুক্ত হচ্ছে, আবার বেশ কিছু পীরোত্তোর সম্পত্তি, কবরস্থান, মসজিদ “সর্ব সাথারনের ব্যাববহার্য্য, বহু পুরাতন নামে রের্কড থাকলেও যার দলিল নেই, যাদেরকে খাদেম বা মোতাওয়াল্লী বলে রের্কড করা থাকলেও তারা যেমন জীবিত নেই, সেই জমি জায়গা অনেকাংশে ব্যাক্তিগত ভোগদখল হয়ে আসছে, পুরাতন কালে নির্মিত মসজিদের জমিও আগের মৌখিকভাবে দানকৃত হয়ে আছে, যার পাকাপোক্ত দলিল নেই, মসজিদ কমিটিও আইন মাফিক বৈধ নয় সেরকম বহৃ সমস্যা রয়ে গেছে মুসলিম সমাজের অন্দরে। আর এই সুযোগে মসজিদের উপর আবার নিয়ম খুঁজে বেড় করে কোনও পদক্ষেপ নেবে কি না সে নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে মুসলিম সমাজের কাছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে, তারপর কুরবানীতে গরু জবাই নিষিদ্ধ, মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহ করা সহ বিবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন মসজিদ সহ ধর্মীয় সম্পত্তি রক্ষা করতে রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে ভীড় বাড়ছে, আবার মসজিদ রেজিষ্ট্রেশন করার ধুমও পড়েছে।

কিন্তু মসজিদ কমিটি রেজিষ্ট্রেশন করে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট করা হলেও সেই রেজিষ্ট্রেশন জমি সম্পত্তির সুরক্ষা দিতে পারবে তা নয়। কোনও জমি জায়গা দান করা হয়েছে, কিছু জমির দলিল রের্কড থাকলেও অন্য জমির নেই, পীরোত্তোর সম্পত্তি পূর্ব পুরুষদের নামে রের্কড করা আছে, তারা মারা যাবার পর তাদের ওয়ারিসরা নিজেদের মতো করে ব্যাবহার করছে, প্রকৃত ধর্মীয় অর্থে ব্যাবহার হয় না অনেকাংশেই, আবার কিছু জায়গা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সময়কালে ১ নম্বর খতিয়ানে চলে গেছে সেই সব ধর্মীয় সম্পত্তি, মসজিদের ভবিষ্যত কি হবে তা বোঝা মুস্কিল। এমন সময় তা সংশোধন করাও সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বীগ্ন হয়ে দিন কাটাচ্ছেন মুসলিম সমাজ।

রাজনগরে দুর্ঘটনায় মৃত কংগ্রেস অঞ্চল সভাপতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মাদ্রাসার পর কি নজড় মসজিদে, উদ্বিগ্ন বাড়ছে মুসলিম সমাজে

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সম্প্রতি রাজ্যের বেসরকারী খারেজি মাদ্রাসাগুলির প্রতিষ্টাকাল, রেজিষ্ট্রেশণ আছে কিনা, ছাত্র বা ছাত্রীর সংখ্যা কত, ফরম্যাট আকারে তার তথ্য সংগ্রহ করেছে সরকার। পুলিশকে সামনে রেখে রাজ্যের থানাগুলি নিজ নিজ এলাকার মাদ্রাসা থেকে লিখিত আকারে তথ্য নিয়েছে, সেই সব মাদ্রাসার বিষয়ে কিরকম ব্যাবস্থা নেবে বা সরকার কি ভাবছে, সেটা জানার অপেক্ষায় রাজ্যবাসী। মাদ্রাসাগুলির তথ্য সংগ্রহের পর এবার কি মসজিদ সহ কবরস্থান, ঈদগাহ,মাজারর, খানকাহ শরীফ সহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করবে, বিশেষ ভাবে কি কিছু ভারছে সরকার? সেই নিয়ে উদ্বীগ্ন রাজ্যের মাদ্রাসার পাশাপাশি মসজিদ কতৃপক্ষগুলিও।

যদিও সরকারের কাছে রাজ্যের সমস্ত মসজিদ সহ কবরস্থান, পীরোত্তোর সম্পত্তি সহ সবকিছু তথ্য সরকারের ভান্ডারে রয়ে গেছে, নতুন ওয়াকফ আইন লাগু হওয়ার পর ওয়াকফ সম্পত্তি উমিদ পোর্টালে নথিভুক্ত হচ্ছে, আবার বেশ কিছু পীরোত্তোর সম্পত্তি, কবরস্থান, মসজিদ “সর্ব সাথারনের ব্যাববহার্য্য, বহু পুরাতন নামে রের্কড থাকলেও যার দলিল নেই, যাদেরকে খাদেম বা মোতাওয়াল্লী বলে রের্কড করা থাকলেও তারা যেমন জীবিত নেই, সেই জমি জায়গা অনেকাংশে ব্যাক্তিগত ভোগদখল হয়ে আসছে, পুরাতন কালে নির্মিত মসজিদের জমিও আগের মৌখিকভাবে দানকৃত হয়ে আছে, যার পাকাপোক্ত দলিল নেই, মসজিদ কমিটিও আইন মাফিক বৈধ নয় সেরকম বহৃ সমস্যা রয়ে গেছে মুসলিম সমাজের অন্দরে। আর এই সুযোগে মসজিদের উপর আবার নিয়ম খুঁজে বেড় করে কোনও পদক্ষেপ নেবে কি না সে নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে মুসলিম সমাজের কাছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজ ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে, তারপর কুরবানীতে গরু জবাই নিষিদ্ধ, মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহ করা সহ বিবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন মসজিদ সহ ধর্মীয় সম্পত্তি রক্ষা করতে রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে ভীড় বাড়ছে, আবার মসজিদ রেজিষ্ট্রেশন করার ধুমও পড়েছে।

কিন্তু মসজিদ কমিটি রেজিষ্ট্রেশন করে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট করা হলেও সেই রেজিষ্ট্রেশন জমি সম্পত্তির সুরক্ষা দিতে পারবে তা নয়। কোনও জমি জায়গা দান করা হয়েছে, কিছু জমির দলিল রের্কড থাকলেও অন্য জমির নেই, পীরোত্তোর সম্পত্তি পূর্ব পুরুষদের নামে রের্কড করা আছে, তারা মারা যাবার পর তাদের ওয়ারিসরা নিজেদের মতো করে ব্যাবহার করছে, প্রকৃত ধর্মীয় অর্থে ব্যাবহার হয় না অনেকাংশেই, আবার কিছু জায়গা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সময়কালে ১ নম্বর খতিয়ানে চলে গেছে সেই সব ধর্মীয় সম্পত্তি, মসজিদের ভবিষ্যত কি হবে তা বোঝা মুস্কিল। এমন সময় তা সংশোধন করাও সম্ভব নয়। স্বাভাবিকভাবেই উদ্বীগ্ন হয়ে দিন কাটাচ্ছেন মুসলিম সমাজ।