১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩

আচমকা ঝড়ে উড়ে গেল গলসির একটি মিলের সেডের ছাউনি

আজিজুর রহমান, গলসি : আচমকা ঝড়ে উড়ে গেল গলসির একটি মিলের সেডের ছাউনি। সেই ছাউনি উড়ে গিয়ে মিলের মেশিন ঘরে পরলে মেশিন ঘরের ছাউনির বেশ কিছু অংশ ভেঁঙে পরে। আর এর জেরের বহু টাকার ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে গলসির আমিন রাইস মিল। মিলের মালিক সেখ আসরাফুল হক জানিয়েছেন, গত কাল আনুমানিক সাড়ে সাতটার নাগাদ আচমকা ঝড় বৃষ্টি হওয়ায় তার রাইস মিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মিলের একটি ছাউনি উড়ে গিয়ে মেশিন ঘরের ছাউনি উপরে পরায় সেটিরও কিছু অংশ ভেঁঙে যায়। সেই সঙ্গে ভিজে যায় কমবেশি ৯৫০০ বস্তা ধান। মেশিন ঘরের ছাউনি ভেঁঙে পরায় সেডের নিচে থাকা আটশো থেকে নয়শো কুইন্টাল চাল ভিজে যায়। সাথে সাথে মেশিন ঘরের ভিতরে থাকা কমবেশি ২৫ টন ব্রান ভিজে নষ্ট হবার মুখে। এ ছাড়াও বেশকিছু মেশিনের ভিতরে জল ঢুকে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ঝড়টি দক্ষিণ দিক থেকে এসে মিলের একটু বড় সেডের অর্ধেক অংশ আচমকা উড়িয়ে দেয়। সেটি সজোরে উড়ে গিয়ে পিছন দিকে মেশিন ঘরের ছাউনিতে পরে। তাতেই সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। ভাগ্যক্রমে ওই সময় উৎপাদন বন্ধ থাকার কোন শ্রমিককে আঘাত লাগেনি। তবে চাল উৎপাদন হবার সময় এমন ঘটনা ঘটলে বহু ক্ষতি হয়ে যেত। এদিকে ঝড়ের দাপটে ভেঁঙে পরে বেশ কিছু জায়গার কন্সট্রাকশন এবং কয়েকটি এয়ার ভেন্টিলেটার তাছাড়াও মিলের একটি পাঁচিলের কিছু অংশ পরে যায়। তার সাথে মিলের মেন গেটটির একটি অংশ ফেটে যায়। তার অনুমান ঝড় ও বৃষ্টির কারনে তার আনুমানিক আশি থেকে নব্বই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আচমকা ঝড়ে উড়ে গেল গলসির একটি মিলের সেডের ছাউনি

আপডেট : ১৪ মে ২০২২, শনিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : আচমকা ঝড়ে উড়ে গেল গলসির একটি মিলের সেডের ছাউনি। সেই ছাউনি উড়ে গিয়ে মিলের মেশিন ঘরে পরলে মেশিন ঘরের ছাউনির বেশ কিছু অংশ ভেঁঙে পরে। আর এর জেরের বহু টাকার ক্ষয় ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে গলসির আমিন রাইস মিল। মিলের মালিক সেখ আসরাফুল হক জানিয়েছেন, গত কাল আনুমানিক সাড়ে সাতটার নাগাদ আচমকা ঝড় বৃষ্টি হওয়ায় তার রাইস মিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মিলের একটি ছাউনি উড়ে গিয়ে মেশিন ঘরের ছাউনি উপরে পরায় সেটিরও কিছু অংশ ভেঁঙে যায়। সেই সঙ্গে ভিজে যায় কমবেশি ৯৫০০ বস্তা ধান। মেশিন ঘরের ছাউনি ভেঁঙে পরায় সেডের নিচে থাকা আটশো থেকে নয়শো কুইন্টাল চাল ভিজে যায়। সাথে সাথে মেশিন ঘরের ভিতরে থাকা কমবেশি ২৫ টন ব্রান ভিজে নষ্ট হবার মুখে। এ ছাড়াও বেশকিছু মেশিনের ভিতরে জল ঢুকে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ঝড়টি দক্ষিণ দিক থেকে এসে মিলের একটু বড় সেডের অর্ধেক অংশ আচমকা উড়িয়ে দেয়। সেটি সজোরে উড়ে গিয়ে পিছন দিকে মেশিন ঘরের ছাউনিতে পরে। তাতেই সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। ভাগ্যক্রমে ওই সময় উৎপাদন বন্ধ থাকার কোন শ্রমিককে আঘাত লাগেনি। তবে চাল উৎপাদন হবার সময় এমন ঘটনা ঘটলে বহু ক্ষতি হয়ে যেত। এদিকে ঝড়ের দাপটে ভেঁঙে পরে বেশ কিছু জায়গার কন্সট্রাকশন এবং কয়েকটি এয়ার ভেন্টিলেটার তাছাড়াও মিলের একটি পাঁচিলের কিছু অংশ পরে যায়। তার সাথে মিলের মেন গেটটির একটি অংশ ফেটে যায়। তার অনুমান ঝড় ও বৃষ্টির কারনে তার আনুমানিক আশি থেকে নব্বই লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।