৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সৌদি আরবে রক্তদান করে নজির মুর্শিদাবাদের যুবকের

আসিফ রনি, বহরমপুর: সুদূর সৌদি আরবে এক মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিয়ে নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের যুবক জিয়ারুল মল্লিক।

কথায় আছে ‘রক্তদান জীবন দান’। তাই রক্তদানের পাশাপাশি রক্তদানে অন্যদের উৎসাহিত করার ব্যাপারটাও কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ। আর এ কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা।

জানা যায়, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীর বছর চব্বিশের যুবক জিয়ারুল মল্লিক । নিজে রক্তদানের পাশাপাশি অন্যদের উৎসাহিত করার কাজটা বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই শুরু করেছেন। মুমূর্ষু রোগীদের বেশ কয়েক বার রক্তদান করতে সাগরদিঘি থেকে বহরমপুর, জঙ্গিপুরে ছুটে গিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে কর্মসূত্রে গতবছর নভেম্বরে সৌদি আরবে যান জিয়ারুল। বর্তমানে সেখানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছেন তিনি।

জিয়ারুল জানান, সে দেশেও রক্তসঙ্কট আমাদের রাজ্যের মতই। তবে সে দেশে হাসপাতালগুলিতে রক্ত পেতে ডোনার সংগ্রহ করতে হয় নিজেদের পরিবার থেকেই। সৌদি আরবের জিজান শহরের কিং ফাহাদ জেনারেল হসপিটালে ভর্তি এক ব্যক্তির রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক নীচে নেমে গিয়েছিল। জিয়ারুল বলেন, “ওই রোগীর পরিবারের লোকজন বলতে কেউ ছিল না। হাসপাতালেও রক্ত মিলছিল না। তাঁর রক্তের গ্রুপ এ-পজিটিভ। অসহায় ব্যক্তির কথা জেনে হাসপাতালে গিয়ে ৬তম রক্তদান করেন তিনি।” উল্লেখ্য এর আগেও তিনি সৌদি আরবের আরেক হসপিটালে রক্তদান করে আসেন খবরের শিরোনামে।

রক্তদানে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে বিদেশে গিয়েও রক্তদান করায় নেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন জিয়ারুল মল্লিক।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সৌদি আরবে রক্তদান করে নজির মুর্শিদাবাদের যুবকের

আপডেট : ৬ অক্টোবর ২০২২, বৃহস্পতিবার

আসিফ রনি, বহরমপুর: সুদূর সৌদি আরবে এক মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দিয়ে নজির গড়লেন মুর্শিদাবাদের যুবক জিয়ারুল মল্লিক।

কথায় আছে ‘রক্তদান জীবন দান’। তাই রক্তদানের পাশাপাশি রক্তদানে অন্যদের উৎসাহিত করার ব্যাপারটাও কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ। আর এ কাছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা।

জানা যায়, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘীর বছর চব্বিশের যুবক জিয়ারুল মল্লিক । নিজে রক্তদানের পাশাপাশি অন্যদের উৎসাহিত করার কাজটা বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই শুরু করেছেন। মুমূর্ষু রোগীদের বেশ কয়েক বার রক্তদান করতে সাগরদিঘি থেকে বহরমপুর, জঙ্গিপুরে ছুটে গিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে কর্মসূত্রে গতবছর নভেম্বরে সৌদি আরবে যান জিয়ারুল। বর্তমানে সেখানে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করছেন তিনি।

জিয়ারুল জানান, সে দেশেও রক্তসঙ্কট আমাদের রাজ্যের মতই। তবে সে দেশে হাসপাতালগুলিতে রক্ত পেতে ডোনার সংগ্রহ করতে হয় নিজেদের পরিবার থেকেই। সৌদি আরবের জিজান শহরের কিং ফাহাদ জেনারেল হসপিটালে ভর্তি এক ব্যক্তির রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা অনেক নীচে নেমে গিয়েছিল। জিয়ারুল বলেন, “ওই রোগীর পরিবারের লোকজন বলতে কেউ ছিল না। হাসপাতালেও রক্ত মিলছিল না। তাঁর রক্তের গ্রুপ এ-পজিটিভ। অসহায় ব্যক্তির কথা জেনে হাসপাতালে গিয়ে ৬তম রক্তদান করেন তিনি।” উল্লেখ্য এর আগেও তিনি সৌদি আরবের আরেক হসপিটালে রক্তদান করে আসেন খবরের শিরোনামে।

রক্তদানে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে বিদেশে গিয়েও রক্তদান করায় নেট দুনিয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন জিয়ারুল মল্লিক।