আনজুম মুনির, কলকাতা: আরজি কর কাণ্ডের ফাইল আবার খোলায় এবার অনেকের মধ্যেই ত্রাস তৈরী হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্যাথোলজি বিভাগের প্রাক্তন সিনিয়র রেসিডেন্ট ডা. বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের চাকরি বাতিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শুক্রবার স্বাস্থ্যভবনের তরফে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অসৎ আচরণ, ফৌজদারি মামলা, একাধিক এফআইআর এবং এসিবি তদন্তের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে স্বাস্থ্যভবন প্রমাণ পেয়েছে, সবকটি অভিযোগই সত্যি। তাই কড়া সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।
এই নিয়ে বিরূপাক্ষর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ”সরকারি নির্দেশ মেনে চলা নাগরিক হিসেবে কর্তব্য। আমি ১ বছর ৯ মাস সিনিয়র রেসিডেন্ট ডক্টর হিসেবে কাজ করেছি। বেশি কিছু বলার নেই।” খুশি হয়েছেন রত্না দেবনাথ।
এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে স্বাস্থ্যভবন থেকে। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি সাসপেন্ড ছিলেন। এবার তাঁর সিনিয়র রেসিডেন্সির মেয়াদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হল। পাশাপাশি ইনডেমনিটি বন্ডের শর্ত অনুযায়ী তাঁকে ২ বছরের জন্য মোট ২০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সরকারি চাকরিতে বিরূপাক্ষর জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। এর জন্য পদক্ষেপ করতে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলকেও জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।
বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ স্বাস্থ্যদপ্তরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ‘‘নতুন পশ্চিমবঙ্গে থ্রেট কালচারের কোনও জায়গা নেই। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটরাজ দালালরাজের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ‘নো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছেন। এটাই তার প্রমাণ।”
নতুন গতি 





















