নিজস্ব সংবাদদাতা: রথযাত্রার আরেকটি উল্লেখযোগ্য অংশ হল একদিনের “হোড়াপঞ্চমী” উৎসব, রথযাত্রা শুরুর পঞ্চম দিনে এই উৎসব হয়, কথিত আছে জগন্নাথ হলেন নারায়ণের আরেকটি রূপ। জগন্নাথ দেব যখন মাসির বাড়ি চলে যান তখন একাকি দেবী লক্ষ্মী বেজায় একাকীত্বে ভোগেন। তাই জগন্নাথ দেব চলে যাওয়ার পাঁচ দিনের মাথাতেই দেবী লক্ষ্মী ঠিক করেন তিনি জগন্নাথ দেবকে বশীকরণ করে ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন তাঁর মাসির বাড়ি থেকে। তাই পঞ্চমী তিথিতে মা লক্ষ্মী সর্ষে পোড়া নিয়ে মশাল জ্বালিয়ে নাকি বৃন্দাবন গিয়েছিলেন জগন্নাথ দেবকে বশীকরণ করে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য। এবং দেবী লক্ষ্মীর সর্ষে পোড়ার বসে নারায়ন তথা জগন্নাথ দেবের মনের মধ্যে লক্ষ্মীকে নিয়ে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়। এবং ঠিক এর নয় দিনের মাথাতেই ভগবান নারায়ণ তথা জগন্নাথ দেব ফিরে আসেন মাসির বাড়ি থেকে।
পৌরাণিক এই কাহিনী মতেই চলে আসছে মহেশ জগন্নাথ দেবের রথ যাত্রার এক বিশেষ হোড়াপঞ্চমী উৎসব। এই উৎসব উপলক্ষে এলাকার ছেলেরা মন্দির থেকে মা লক্ষ্মীকে মশাল জ্বালিয়ে পালকিতে নিয়ে মাসির বাড়ি নিয়ে আসেন। মা লক্ষ্মী জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি গিয়ে সর্ষে পোড়া দেন । সেখানে মা লক্ষ্মী সর্ষে পোড়া দিয়ে জগন্নাথদেবকে বশ করেন। বশীভূত করার পর ঠিক ন’দিনের মাথায় উল্টোরথে ভগবান জগন্নাথদেব আবার ফিরে আসেন তাঁর নিজের মন্দিরে।বিগত দুবছর বাদে আবারও গড়িয়েছে মাহেশের রথের চাকা। জাঁক চমক করে হাজারও ভক্তের ঢল নেমেছিল রথের দিন। রাজ্যের গন্যমান্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রশাসনিক আধিকারিকরা সবাই উপস্থিত ছিলেন রথের দিন। এবার হরপঞ্চমী উৎসব দেখতেও ভক্তদের ভিড় নামে জগন্নাথদেবের মাসির বাড়ি সামনে। মা লক্ষ্মীর সর্ষে পোড়া পেতে ভিড় জমান শতাধিক ভক্তবৃন্দ।
নতুন গতি 





















